নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার রুখতে অফিসার নিয়োগ! কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত একগুচ্ছ নয়া নিয়ম নিয়ে এসেছে কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই নয়া নিয়ম বা পলিসি গ্রহন না করলে বন্ধ হয়ে যাবে একাধিক মাধ্যম। এই নিয়ে সংস্থাটির দাবি নয়া পলিসিতে গ্রাহকদের ব্যাক্তিগত তথ্য ও অন্যান্য জিনিষ আর ব্যাক্তিগত থাকবে না।
আরও পড়ুনঃ গরু বাঁধা নিয়ে পুরানো বিবাদ! তৃণমূল কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি-বোমাবাজিতে উত্তপ্ত নদিয়া


বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছেন, “সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলিকে এদেশে একজন অভিযোগ প্রতিকার সংক্রান্ত অফিসার নিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি একজন করে সম্মতি সংক্রান্ত আধিকারিক ও নোডাল অফিসার নিয়োগ করতে হবে বাধ্যতামূলক ভাবে।” রবিশঙ্কর জানিয়েছেন, এই অফিসারদের নিয়োগের উদ্দেশ্য হল গ্রাহকদের অভিযোগ জানানোর, শুনানির এবং প্রতিকার আদায় করার একটা মঞ্চ তৈরি করা।
কেন্দ্রীয় সরকারের মূল সমস্যা হোয়াটসঅ্যাপ কে নিয়েই। কেন্দ্রের বক্তব্য, ‘‘নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা এবং জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সরকারেরও কিছু দায়িত্ব রয়েছে। আইনি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গোপনীয়তার অধিকার হোক বা যে কোনও মৌলিক অধিকার, কোনও কিছুই চূড়ান্ত নয়। সবকিছুর উপর অল্পবিস্তর নিয়ন্ত্রণ থাকা প্রয়োজন।’’
কেন্দ্রের নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, কোনও বিতর্কিত মেসেজ প্রথমে কে পাঠিয়েছে, তা আদালত বা সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী বের করতে বাধ্য থাকবে সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলি। এর বিরুদ্ধে আদালতে হোয়াটসঅ্যাপ দাবি করে, এতে ভারতে তাদের ৪০ কোটি গ্রাহকের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।


সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার রুখতে অফিসার নিয়োগ! এই প্রসঙ্গে রবিশঙ্করের ব্যাখ্যা, “সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের এই নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছুই নেই। গঠনমূলক সমালোচনা স্বাগত। প্রশ্ন করার অধিকার অবশ্যই থাকা উচিত। বিতর্কিত ও আপত্তিজনক মেসেজের উৎসকে খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।”







