নজরবন্দি ব্যুরো: সংঘর্ষের জেরে তিহার জেলে মৃত্যু গ্যাংস্টারের। দিল্লির রোহিণী আদালতে গুলি চালানোর ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তিল্লু তাজপুরিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। এই জেলেই বন্দী আছেন গরুপাচার মামলায় অভিযুক্ত বাংলার তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল।
আরও পড়ুন: Karnataka Polls: নির্বাচনী ইস্তেহারে চমক কংগ্রেসের, বজরং দল নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি



সূত্রে খবর, এদিন সকালে তিহার জেলে বন্দীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। বিরোধী গোষ্ঠীর সদস্য যোগেশ টুন্ডা ও তাঁর সহযোগী দীপক তিতার গ্যাংস্টার তিল্লুর উপর হামলা চালায়। তাঁর শরীরে রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিল্লুকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় রোহিত নামের একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।



পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে আইনজীবীদের পোশাকে রোহিণী আদালতে বিচারকের সামনেই দুই আততায়ী গ্যাংস্টার জিতেন্দ্র গগিকে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তবে পুলিশের পাল্টা গুলিতে আততায়ী দুজনের মৃত্যু হয়। জানা যায়, তিল্লু কুখ্যাত নবীন বালি, কৌশল এবং গ্যাংস্টার নীরজ বাওয়ানিয়ার সঙ্গে তিহার জেল থেকেই গ্যাং পরিচালনা করত। রোহিণীকাণ্ডে তার নাম জড়ায়।
Anubrata Mandal-এর নিরাপত্তা বাড়ল তিহারে, সংঘর্ষে খুন গ্যাংস্টার তিল্লু

দেশের হাই সিকিউরিটি জেল দিল্লির তিহার। বড় বড় অপরাধীদের ঠাই হয় এখানে। বর্তমানে বহু হাই প্রোফাইল সদস্য এবং নেতা এখানে বন্দী আছেন। অনুব্রত মণ্ডল, সুকন্যা মণ্ডল ছাড়াও গরু পাচার মামলায় অন্যান্য অভিযুক্ত অনুব্রতর হিসেব রক্ষক মনীশ কোঠারি, দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, ব্যবসায়ী এনামূল হক। এছাড়াও, দিল্লির আপ সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া, শিক্ষামন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন তিহারেই বন্দী আছে। এদিনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ইতিমধ্যেই ওয়ার্ডের বাইরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর।







