নজরবন্দি ব্যুরোঃ রান অফ ভোটে কট্টর দক্ষিণপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী হোসে আন্তোনিও কাস্তকে পরাজিত করে চিলিতে প্রেসিডেন্ট হলেন কমিউনিস্ট পার্টির সমর্থিত ব্রড ফন্টের গ্যাব্রিয়েল বরিস। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে রাষ্ট্রপতি হলেন তিনি। প্রায় ৫৬ শতাংশ ভোটে জয়লাভ করেছেন তিনি। প্রাক্তন ছাত্র আন্দোলনের নেতা গ্যাব্রিয়েলের জয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছে গোটা বিশ্ব।
আরও পড়ুনঃ ওমিক্রন আবহে সুখবর, সেরামের ভ্যাকসিন Covovax কে Emergency অনুমোদন WHO-র
জয়লাভ করে গ্যাব্রিয়েল বরিসের বক্তব্য, “আপনি আমাকে ভোট করতেও পারেন অথবা না করতেও পারেন। আমি চিলির সকল মানুষের জন্য রাষ্ট্রপতি। সমস্ত চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করেই মানুষের জন্য কাজ চালিয়ে যাবো”। এই মুহুর্তে বিশ্বে সর্বকনিষ্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন বরিস।

গত কয়েক দশক ধরে চিলিতে যে সমস্ত ঘটনা ঘটে চলেছে তার প্রেক্ষিতে বারিসের রাষ্ট্রপতি যাত্রা এতটা সুবিধের ছিল না। একনায়কতন্ত্রের ঘোর বিরোধী এই নেতা সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন, ক্ষমতায় এলে প্রশাসনিক ক্ষমতায় আমূল পরিবর্তন আনবেন। বদলাবেন কর ব্যবস্থা। ধনীদের ওপর কর বাড়িয়ে গরীব মানুষকে মুক্তি দেবেন তিনি। রবিবার নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেল সাধারণ মানুষ তাঁর ওপর আস্থা রেখেছেন।
জয়ের পর একে অপরের উদ্দেশ্যে ট্যুইট বার্তা করে শুভেচ্ছা বার্তা জ্ঞাপন করেছেন দুই প্রতিদ্বন্দ্বী। কাস্ত এদিন ট্যুইট করে জানিয়েছেন, “বরিসের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। নিজের হার স্বীকার করছি। আশা করি দেশের জন্য ভালো কাজ করবেন বরিস”। পাল্টা বরিস লেখেন, “‘যাঁরা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং যাঁরা দেননি আমি তাদের সকলের প্রেসিডেন্ট হতে চাই। সকলে মিলেই এক শক্তিশালী চিলি গড়ে উঠবে”।
৩৫ বছরে প্রেসিডেন্ট হলেন গ্যাব্রিয়েল বরিস, কনিষ্ঠতম প্রেসিডেন্ট
আগামী মার্চ মাসে শেষ হচ্ছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট সেবাস্টিয়ান পিনেরার মেয়াদ। এরপরেই রাষ্ট্রপতি পদে নিযুক্ত হবেন তিনি। যদিও এখন থেকেই খুশিতে মাতোয়ারা গোটা চিলি। নতুন প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে চাইছেন তাঁরা।



