নজরবন্দি ব্যুরো: সোমবার সকালেও জোর কদমে চলছিল পকেট ফায়ার নেভানোর কাজ। বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে গোটা বস্তি এলাকা। ফাল্গুনি মার্কেট লাগুয়া বস্তি এখন পরিণত হয়েছে শ্মশানে! অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আশ্রয়হীন অনেকেই! রীতিমত বিধ্বংসী আগুনে সব খুইয়ে দিশেহারা বাসিন্দারা। কোথায় যাবেন? কি খাবেন? কিভাবে সংসার চলবে তাদের? আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন গৃহহীনরা। ওই বস্তিতে ৮০টি পরিবারের বাস ছিল। আর বস্তি পুড়ে ছারখার হওয়ায় এই পরিবারগুলি গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।
আরও পড়ুন: Skin care: ব্রণের সমস্যা? এড়িয়ে চলুন এই খাবার গুলি…



কিন্তু কীভাবে এই আগুন লাগলো? কিংবা আচমকা এই অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে কোন কারণ? জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফরেনসিক সাইন্স এন্ড ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞ দল। আজই ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেনসিক টিম। জানা গিয়েছে, সোমবার বেলা ১২.২০মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। ১.২০ মিনিট পর্যন্ত চলে নমুনা সংগ্রহের কাজ।



প্রসঙ্গত, রবিবার ছুটির দিনে বিকেলে আচমকা সল্টলেকের ফাল্গুনী বাজারে আগুন লেগে যায়। একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণের জেরে বিস্তীর্ণ এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রের খবর, ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি আবাসানা রয়েছে। আর আবাসনের গায়ে বেশ কিছু ঝুপড়ি তেও আগুন লেগে যায়। এলাকাবাসীর দাবি, ওই জায়গায় কমপক্ষে পাঁচশো মানুষের বাস৷ ফাল্গুনী বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আশ্রয়হীন অনেকেই!
সল্টলেকের বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফরেনসিক দল

যদিও পুরসভার পক্ষ থেকে গৃহহীনদের কমিউনিটি সেন্টারে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সকাল হতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান বস্তির বাসিন্দারা। তবে আগুনে অধিকাংশ জিনিসই পুড়ে ছাই হলেও তার মধ্যে থেকে যদি কিছু উদ্ধার হয়, সেই আশাতেই আছেন বাসিন্দারা। যদিও আজ সকালেও বস্তির কিছু জায়গায় পকেট ফায়ার রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাই দমকলের ২টি ইঞ্জিন এখনও রয়েছে ওই ঘটনাস্থলে। পকেট ফায়ারও নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চলছে। অন্যদিকে, ওই বস্তির এক মহিলা বাসিন্দা বলেন, “আমাদের সবকিছু চলে গেল। আমরা এখন কী করব।”







