নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতমাসের শেষের দিকেই ইউক্রেন আক্রমনের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেণ্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর যত সময় এগিয়েছে ইউক্রেন জুড়ে তাণ্ডব দেখিয়েছে মস্কো। তছনছ হয়ে গিয়েছে ইউরোপের এই ছোট্ট দেশটি। যা নিয়ে রাশিয়ার সমালোচনায় সরব হয়েছে গোট বিশ্ব। ধীরে ধীরে রুশদের থেকে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেছে পশ্চিমি দেশগুলি। একই পথে হেঁটে রাশিয়াকে কোণঠাসা করা শুরু করেছিল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থা। তারপর সেইপথ অনুস্মরণ করে অ্যাপেল। এবার নেটফ্লিক্স।
আরও পড়ুনঃ আজ থেকে শুরু মাধ্যমিক,পর্যাপ্ত বাস-ট্রেন পাবে পরীক্ষার্থীরা?


বিশেষ সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, রুশদের ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই রাশিয়ার উপর ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেছিল বহু সংস্থা। যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে তিক্ততা। তাই গত সপ্তাহ থেকেই নাকি রাশিয়ায় পাততাড়ি গোটাতে শুরু করেছিল নেটফ্লিক্স। এবার নেওয়া হল কড়া পদক্ষেপ। তাদের প্রযোজিত সমস্ত অনুষ্ঠান বন্ধ করার পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হল গোটা পরিষেবা।
বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেটফ্লিক্সের এক মুখপাত্র জানান, “বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই আমরা রাশিয়ায় সম্পূর্ণরূপে নিজেদের পরিষেবা বন্ধ করার পরিকল্পনা নিয়েছি।” তবে এখনো কোনো বিবৃতি জারি করা হয়নি সংস্থার তরফে। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে থাকলেও পুতিনের দেশে তা অনেকটাই কম। পরিসংখ্যান বলছে, সব মিলিয়ে মোট ১০ লক্ষের কাছাকাছি গ্রাহক রয়েছে সমগ্র রাশিয়ায়।
যুদ্ধের জের, পুতিনের দেশে পাততাড়ি গোটাচ্ছে নেটফ্লিক্স

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মস্কো সরকারের ইউক্রেন আক্রমণ শুরু হতেই নিজেদের পরিষেবা বন্ধ করতে শুরু করেছিল বহু সংস্থা। পাশাপাশি আর্থিক অনুদান পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল, আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মতো একাধিক দেশ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট। তবে এখানেই শেষ নয়, পরবর্তী সময় সেখানে বন্ধ করে দেওয়া হয় মাস্টার কার্ড ও ভিসা। যারফলে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ও দেখা দেয় সমস্যা। এবার সেদেশের বিনোদনের ক্ষেত্রে ও দেখা দিল যুদ্ধের জের।









