নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেন্দ্রের ছিনিয়ে নেওয়া চাকরি ফিরে পেল ৫ বাঙালি! বড় সাফল্য বাংলাপক্ষ-র। ইংরেজি না জানার অভিযোগে ৫ জন অস্থায়ী স্টেনোগ্রাফারকে ছাঁটাই করে দিয়েছিল আয়কর বিভাগের কলকাতা দফতর। অথচ তাঁরা প্রত্যেকেই রীতিমতো পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন। চাকরি পাওয়ার পর অস্থায়ী কর্মী হিসাবে কলকাতার মিডলটন রো-এর আয়কর দফতরে কাজও শুরু করেছিলেন। কিন্তু ইংরেজি না জানার কারনে তাঁদের চাকরি জীবনে ছেদ পড়ে। ছাঁটাই করে দেওয়া হয় তাঁদের।
আরও পড়ুনঃ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে, আবার আন্দোলনে হবু শিক্ষকরা।


কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের এই আচরণের বিরুদ্ধে অক্টোবর মাসে প্রতিবাদে মুখর হয় বাংলাপক্ষ। আর তাতেই কাজ হয়েছে। ছাঁটাই হওয়া পাঁচ অস্থায়ী কর্মীকে ফের কাজে বহাল করেছে আয়কর দফতর। ভাষার ভিত্তিতে তৈরী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, যার দাপ্তরিক ভাষা বাংলা এবং ইংরেজি। সর্বশেষ জনগণনার পরিসংখ্যান ব্যতিরেকে সাধারণভাবে দেখলে বোঝা যায় চারপাশে বহু স্থানীয়; বাংলায় বলতে এবং পরিষেবা পেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
তবে অনেক ক্ষেত্রেই অলিখিতভাবে বাংলা ভাষাকে বহুদিন বঞ্চনা করে আসা হয়েছে। রাজ্যবাসী কিছুদিন আগে অক্টোবরের মাঝামাঝি সেই বঞ্চনার প্রকৃষ্ট প্রমাণ পান যখন কলকাতাস্থ আয়কর দপ্তর থেকে পাঁচ বাঙালি কর্মীকে ইংরেজি বলতে না পারার অছিলায় বরখাস্ত করে দেওয়া হয়। ছাঁটাই হয়ে যাওয়া পাঁচজন কর্মী রিয়া দত্ত, শৌভিক ঘোষ, প্রিয়া দে, রাহুল কুমার সাউ এবং রুনু আদক বাংলা পক্ষ সংগঠনের নিকট সাহায্য চাইলে দপ্তরের বিরোধিতা করে বাংলা পক্ষ নামে রাস্তায় নামে।
কেন্দ্রের ছিনিয়ে নেওয়া চাকরি ফিরে পেল ৫ বাঙালি! বড় সাফল্য বাংলাপক্ষ-র। সংগঠনের সদস্যরা এই পাঁচজনের পুনর্বহালের দাবিতে আয়কর দপ্তরে একটি স্মারকলিপি জমা দিলে ভাইস চেয়ারম্যান তাদের আশ্বস্ত করেন এবং চাকরিতে পুনর্বহালের প্রতিশ্রুতিও দেন। প্রতিশ্রুতি অনুসারে দপ্তর ঐ পাঁচজনকেই নির্দিষ্ট কাজে নিঃশর্তভাবে ফিরিয়ে নেন৷ এই বিষয়ে সংগঠনটির বক্তব্য “বাংলা পক্ষ এই ভাবেই বঞ্চিত বাঙালির পাশে আছে এবং সফলভাবে থাকবে। আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে এই সাফল্য সমস্ত সচেতন বাঙালিকেই উৎসর্গ করছি আগামী দিনে এইভাবেই বাঙালির কোন বিপদে পাশে থাকতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”









