নজরবন্দি ব্যুরো: অবশেষে জট কাটল বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গাপুজোর। শুরু হল বাগবাজার সর্বজনীনের কাঠামো তৈরির কাজ। কলকাতার দুর্গাপুজো আর বাগবাজার সার্বজনীন যেন একে অপরের সমার্থক। অথচ উত্তর কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্যমণ্ডিত পুজোর ভবিষ্যৎ ঘিরেই দিনকয়েক আগে উঠেছিল প্রশ্ন ৷ আদৌ বাগবাজার সার্বজনীনের পুজো এবার হবে কি না, কমিটি নির্বাচন ঘিরে জটিলতার জেরে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা ৷ তবে জটিলতা অব্যাহত রেখেই বুধবার থেকে শুরু হলো পুজোর কাজ।
আরও পড়ুন: পুজোর ঢাকে পড়ল কাঠি, ইউনেস্কোকে সন্মান জানাতে আজ ২টো থেকে হাঁটবে মহানগর


রীতিনীতি মেনেই বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গোৎসব ও প্রদর্শনী এ বছরেও হবে বলে জানালেন উদ্যোক্তারা। আপাতত প্রতিদ্বন্দ্বী দুই কমিটির প্যানেল থেকে তিনজনকে নিয়ে তৈরি নতুন কমিটি। এবছরের পুজোর কাজ দেখবেন এই কমিটি। তবে আর্থিক দায়িত্বে যারা ছিলেন তারাই রয়ে গেলেন এবারেও।

এই দুর্গোৎসব কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন ঘিরে রবিবার যে অভিযোগ ওঠে, তাকে নজিরবিহীন বলছেন এলাকার লোকজনও। পুজোর দায়িত্বে কারা থাকবে, তা নিয়ে এবার নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয় বাগবাজার সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি। ২০১০ সালে শেষবার নির্বাচন হয়েছিল। ১২ বছর পর ফের পুজোর আগে ভোটাভুটি। অভিযোগ, সেই নির্বাচন ঘিরেই রবিবার রাতে তুমুল অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয় বাগবাজারে।
জট কাটল বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গাপুজোর, শুরু হল কাঠামো তৈরির কাজ



পুজোর উদ্যোক্তারা জানান, ১৯৩২ সাল নাগাদ সোসাইটি অ্যাক্টে নথিভুক্ত করা হয় বাগবাজারের পুজো। লাইফ মেম্বার এবং সোসাইটি মেম্বার বলে দু’টি ভাগ রয়েছে সদস্যদের। রয়েছে ১৫১ জনের জেনারেল কাউন্সিল। কাউন্সিলের সদস্যরাই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন সাধারণ সম্পাদক, সভাপতিকে। সঙ্গে আরও ১২ জনের কার্যনির্বাহী কমিটিকেও তাঁরা নির্বাচিত করার কথা। সদস্য পদ ১৫১ জনের থাকলেও বেঁচে রয়েছেন ৮৬ জন।







