নজরবন্দি ব্যুরোঃ কথায় বলে বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। বাঙালির উৎসব এর কোন শেষ নেই দুর্গাপুজো কালীপুজো ভাতৃদ্বিতিয়া শেষ হয়েছে। সামনে আসছে জগদ্ধাত্রী পুজো। পুজোর মরশুমে করোনা আবহে সেভাবে বাড়েনি সংক্রমণ। সংক্রমণ আটকে রয়েছে হাজারের কোটাতেই। ফলে রাজ্যের স্বাভাবিক হয়েছে লোকাল ট্রেন।
আরও পড়ুনঃরাজ্যের মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুনের হুমকি, গ্রেফতার তিন
চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে খুলে যাচ্ছে স্কুল কলেজ। ফলে কলকাতাসহ রাজ্যের ছন্দ ফিরছে স্বাভাবিকভাবে। আর এই পরিস্থিতিতেই উৎসবপ্রিয় বাঙালিকে নিরাশ না করে একের পর এক উৎসবের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।করোনা আতঙ্কে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল বইমেলা। ফলে একটা অভ্যাস থেকে বাদ পড়ছিলেন বইপ্রেমীরা। শুধু তাই নয়, বই বিক্রিতেও একটা প্রভাব পড়ছিল। আর সেদিকে তাকিয়ে বড় ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে বইমেলা শুরু হবে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাতে খুশি পাঠক থেকে প্রকাশকরা। করোনার কারণে বন্ধ ছিল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এবার সেই উৎসবের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, একেবারে কোভিড বিধি মেনেই ৭ জানুয়ারি থেকে চলচ্চিত্র উত্সব শুরু হবে।
অপরদিকে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন এবার একটু পিছিয়ে গিয়ে শুরু হচ্ছে এপ্রিল মাসে। আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল কলকাতায় এর আয়োজন করা হবে। এদিন এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার এই প্রথম কলকাতায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আন্তর্জাতিক সঙ্গীত উৎসব। যার ঘোষণা করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। শীতকালে রেড রোডে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশেষ উত্সব।
পুজো শেষ হতে না হতেই বেশকিছু উৎসবের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, খুশি আমজনতা

যেখানে অংশ নিতে পারবেন দেশ-বিদেশের সংগীত শিল্পীরাও। মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলার সঙ্গীতপ্রেমীরা। সব মিলিয়ে আস্তে আস্তে করোনার জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসছে গোটা বাংলা স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন।








