ফলতা পুনর্নির্বাচনের গণনা শুরু হতেই রাজনৈতিক ছবিতে বড় ইঙ্গিত। প্রথম রাউন্ডের ফলেই প্রায় ৯ হাজার ভোটে এগিয়ে বিজেপি। আরও তাৎপর্যপূর্ণ, এই পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম, তৃতীয় কংগ্রেস এবং চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে তৃণমূল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্রের এই ট্রেন্ড ঘিরে সকাল থেকেই চর্চা তুঙ্গে।
রবিবার সকাল থেকে ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ফলতা পুনর্নির্বাচনের ভোটগণনা। মোট ১৯টি টেবিলে ২১ রাউন্ডে গণনার প্রক্রিয়া চলছে। প্রথম ধাপের গণনাতেই বিজেপির উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।


গণনাকেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান বা দলের কোনও কাউন্টিং এজেন্ট উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি, সিপিএম এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা শুরু থেকেই গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত রয়েছেন। পোস্টাল ব্যালট গণনাতেও এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত মিলেছে বিজেপির পক্ষে।
ফলতা কেন্দ্রে এই পুনর্নির্বাচনের প্রেক্ষাপটও ছিল ব্যতিক্রমী। গত ২৯ এপ্রিল হওয়া ভোটে একাধিক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ ওঠার পর গোটা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। পরে ২১ মে ২৮৫টি বুথে নতুন করে ভোটগ্রহণ হয়।
ভোটের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। যদিও মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় তাঁর নাম ও দলীয় প্রতীক ইভিএমে বহাল ছিল।


ভোটের আগে ফলতা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে নেমেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এখন প্রথম রাউন্ডের ট্রেন্ড সামনে আসতেই নজর আরও বেড়েছে পরের রাউন্ডগুলির দিকে— এই ব্যবধান কি ধরে রাখতে পারবে বিজেপি, নাকি ভোটগণনা এগোতেই বদলাবে সমীকরণ, সেটাই এখন দেখার।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



