নজরবন্দি ব্যুরোঃ আত্মহননই কি বিদিশা দে মজুমদারের মৃত্যুর কারণ? আপাতত সে দিকেই ইঙ্গিত করছে মৃতার সুইসাইড নোট। এছারাও তার বন্ধু মহল থেকে উঠে আসছে বিভিন্ন তথ্য। কেও বলছেন প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিচলিত ছিল বিদিশা। আবার তার অসুস্থতা নিয়েও কথা বলেছেন অনেকে। আর এবার তদন্তকারী অফিসারদের হাতে এল এক ফোন এর কথবোকথন।
আরও পড়ুনঃ সম্পর্কের টানাপড়েনই কি মৃত্যু মডেল বিদিশার? তিন পাতার সুইসাইড নোটে কি মিলল?


বিদিশার বান্ধবী দিয়া ও বিদিশার প্রেমিক অনুভব। ফনের এই অডিও ভয়েস নজরবন্দি ডট ইন সত্যতা যাচাই করে নি। কি কথা হয়েছিল ফোনে?
দিয়া- তুমি কি বলছ যে তুমি রিলেশনে ছিলে না?
অনুভব- না আমি সত্যি রিলেশনে ছিলাম না। আমার কাছে সব মেসেজও আছে।


দিয়া- রাত ১ টার সময় মেসেজ এসেছিল। সব আছে আমার কাছে। আমি থানার বাইরে। থানায় গিয়ে যদি বলি সবকিছুর জন্য তুমি দায়ী, তাহলে বড় কেস খেয়ে যাবে।

অনুভব- আমার যদি সত্যিই দোষ থাকে, আমি অবশ্যই ফাঁসবো। দোষ করলে শাস্তি দেওয়া হোক।
দিয়া- তোমার দোষ নেই? ৩-৪ টে মেয়েকে রিলেশনে রেখেছ আর তোমার কোনও দোষ নেই?
অনুভব- আমি ৩-৪ টে মেয়েকে রিলেশনে রেখেছি?
দিয়া- ঋতু… বিদিশা, সব আমরা জানি।

অনুভব- আজ অবধি আমি বিদিশাকে আই লাভ ইউ বলিনি।
দিয়া- রিলেশনে ছিলে না? ফিজিক্যাল হতে পেরেছিলে? সেক্স করতে পেরেছিলে?
অনুভব- আমি তো অস্বীকার করিনি। কিন্তু কোনও দিন বলিনি ভালবাসি।
দিয়া- তোমার ফোনের লক খুললে সব জানা যাবে।
অনুভব- আমি চাই তোমরা সব দেখ।

তবে ইতিমধ্যেই হোয়াটসঅ্য়াপ চ্যাট প্রকাশ্যে এনেছেন বিদিশার বান্ধবী দিয়া। বান্ধবীকে পাঠানো মেসেজে বিদিশা বলেছেন, ‘ওকে ছাড়া বাঁচতে পারব না রে, বাবা-মায়ের থেকেও ওকে বেশি ভালোবাসি।’ মডেলের ফোন ঘেঁটে এই সব তথ্য এসেছে নাগেরবাজার থানার পুলিশের হাতে।

বিদিশার মৃত্যু নিয়ে পুলিশের কাছে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ফাঁস বান্ধবী ও প্রেমিকের অডিও
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত্যুর কিছু আগেই বান্ধবী দিয়া দাসের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট করেছিলেন বিদিশা। দিয়া দাসের দাবি, অনুভব বেরার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বিদিশার। তাঁকেই ভীষণ ভালোবাসতেন। কিন্তু বিদিশা জানতে পেরেছিলেন, অনুভব অন্য একটি সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তারপর থেকেই নাকি ভীষণভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।







