নজরবন্দি ব্যুরোঃ সময় খুব দ্রুত বয়ে যায়। বাঙালি ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর হারিয়েছিল কালচারাল আইকন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে। এমন একজন মানুষের ব্যক্তিত্বের কৃতিত্ব বাঙালির মনে গাঁথা থাকবে সারাজীবন। তাঁকে হারানো মানে, বাংলা চলচ্চিত্র জগতের একটা অংশে ধস নামা। সত্যজিত্ রায়ের ফ্রেমে বন্দি নানান চরিত্রের রসায়ন এবং অভিনয়ে বারবার মুগ্ধ করেছিলেন দর্শকদের। বয়স বাড়লেও অভিনয় থেকে ছুটি তিনি করেননি। থিয়েটারের মঞ্চ কিংবা সিনেমার ক্যামেরা, সবকিছুই ছিল তাঁর কাছে ভীষণ প্রিয়।
আরও পড়ুনঃ করোনা থাবা বসাচ্ছে টলিগঞ্জে, এবার আক্রান্ত নাট্যব্যক্তিত্ব সুমন মুখোপাধ্যায়।
নিজেকে নানান চরিত্রের খাতিরে সব সময় গড়ে নিতে চাইতেন। যার কারণেই হয়তো তাঁর প্রত্যেকটি চলচ্চিত্রের অভিনয়ের মধ্যে স্বতন্ত্র অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।শুধুমাত্র সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে নয়, বাঙালি আজীবন তাঁকে মনের মনিকোঠায় তুলে রাখবে।
তিনি শুধুমাত্র একজন অভিনেতা ছিলেন না, পাশাপাশি দক্ষ একজন নাট্যকার, বাচিকশিল্পী, চিত্রশিল্পী, সম্পাদক, গদ্যকার এবং কবি ছিলেন। সব সময় তিনি প্রচেষ্টা চালিয়েছেন ভালো কিছু করার জন্য, তার জন্য যতটা অনুশীলনের প্রয়োজন তা সযত্নে করে গেছেন। আজীবন নতুন কিছু শেখার জন্য মরিয়া হয়ে থেকেছিলেন।
‘চিরকিংবদন্তি সৌমিত্র’, বাংলা চলচ্চিত্রের অসমাপ্ত অধ্যায়

এক কথায় বলতে গেলে ১৫ই নভেম্বর বাঙালি সত্যিই অনেক কিছু হারিয়েছে। তাঁর একের পর এক কালজয়ী সিনেমার অভিনয় কোনদিনও ভোলার নয়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্র অনেকটা জীবন্ত উপাখ্যানের মত। সত্যজিত্ রায়ের ফেলুদা থেকে শুরু করে ‘ সোনার কেল্লা ‘, ‘ তিন কন্যা’র ‘ সমাপ্তি ‘, ‘ ঘরে-বাইরে ‘, ‘ দেবী’, ‘ অশনিসংকেত ‘, ‘ চারুলতা ‘ ,’ অরণ্যের দিনরাত্রি ‘, ‘ কাপুরুষ ‘ ‘ বেলাশেষে ‘ প্রভৃতি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয়ে বারংবার মুগ্ধ হতে বাধ্য বাঙালি।










