নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনার বাড়বাড়ন্তে রবিবার থেকে তারকেশ্বর মন্দিরে নিষিদ্ধ হচ্ছে প্রবেশ। গোটা দেশে কার্যত সুনামির আকারে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। একাধিক পরিকল্পনাতেও কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না পরস্থিতি। দিনে দিনে বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণের গ্রাফ। গত তিন দিন পর পর ৪ লাখ ছুঁয়েছে দৈনিক সংক্রমণের মাত্রা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু মিছিল।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বদলে কোভিড বাহিনী পাঠান বাংলায়, মমতার পর মোদীকে চিঠি অধীরের
করোনার প্রথম ঢেউ ভারতের রাজ্যগুলি সামলে নিলেও দ্বিতিয় ঢেউয়ের কাছে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। গতা দেশ জুড়ে হাহাকার বেড, হাসপাতাল,অক্সিজেনের। একটা গোটা দেশের দিন পেরচ্ছে ভয় আতঙ্ক আর হাহাকার নিয়ে। করনার প্রথম ঢেউয়ে মূল শহর গুলিতে মূল প্রকোপ পড়লেও, দ্বিতীয় ঢেউ তীব্র ভাবে ছড়িয়েছে শহরতলি এবং গ্রামগুলিতেও।
সংক্রমন ঠেকাতে একে একে বন্ধ হয়েছে একাধিক দর্শন ক্ষেত্র। বন্ধ হয়েছে একাধিক মন্দির। এবার সে পথেই হাঁটলো তারকেশ্বর মন্দির। হুগলিতেও পাল্লা দিয়ে দিনে দিনে বাড়ছে সংক্রমণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজকে জানানো হয়েছে কাল অর্থাৎ রবিবার থেকে তারকেশ্বরের মন্দিরে কোনও ভক্ত প্রবেশ করতে পারবেন না। গত বছরেও মার্চ থেকে বন্ধ ছিল মন্দির। পরে সেপ্টেম্বর নাগাদ খুললেও, ভেতরে প্রবেশ করতে পারতেন না সকলে। এই নিষেধাজ্ঞা ওঠে ফেব্রুয়ারি নাগাদ। তার পর থেকেই অবাধে ঢুকতে পারতেন সকলে।
করোনার বাড়বাড়ন্তে রবিবার থেকে তারকেশ্বর মন্দিরে নিষিদ্ধ হচ্ছে প্রবেশ, যেহারে এই মুহুর্তে বাংলা সহ গোটা দেশে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ, তাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবার থেকে আর কোন ভক্ত ঢুকতে পারবেন না মন্দিরে। যদিও জানানো হয়েছে এতে মন্দিরের পুজো বন্ধ হবে না। নিয়ম মেনে কেবল ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন পুরোহিতরা। দৈনিক পুজো সারবেন তাঁরাই। তবে কতদিনের জন্য এই নিয়ম সেই বিষয়ে জানানো হয়নি কিছু।



