নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। দুই জুজুধান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি নেমে পড়েছে মাঠে। পিছিয়ে নেই অন্যান্য দলগুলি। খুব শীঘ্রই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনের। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। তাই আসন্ন নির্বাচনে বেছে বেছে নয় সমস্ত বুথকেই স্পর্শকাতর ধরে ঘুঁটি সাজাতে চলেছে কমিশন।
আরও পড়ুনঃ রাম রহিমের এই বাংলায় মইদুল সংসারের সারথি অভীক, যেন সত্যিকারের অর্জুন।


জেলা প্রশাসনগুলিকে কমিশনের তরফে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাজ্যের সব বুথকেই স্পর্শকাতর বুথ হিসেবে ধরে নিয়ে এগোতে হবে। সেই মতো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। তারপর অতীত রেকর্ড দেখে শনাক্ত করতে হবে অতি স্পর্শকাতর বা উত্তেজনাপ্রবণ বুথ কোনগুলি।
আগের নির্বাচনগুলিতে যে যে বুথে অশান্তি হয়েছে, বা গত ছ’মাসে যে যে এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তি বেশি হয়েছে, সেই সেই এলাকাগুলিকে প্রথমে উত্তেজনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। তারপর সেই উত্তেজনাপ্রবণ এলাকাগুলিতে কোন কোন বুথ অতি স্পর্শকাতর, সেটাও শনাক্ত করা হবে। অন্যদিকে করোনার প্রভাব অনেকটাই কমে এলেও কোভিড প্রোটোকল মেনেই নির্বাচন করতে চাইছে তারা।
তাই এই চ্যালেঞ্জ সামলাতে আগের থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ বুথ সংখ্যা বাড়তে চলেছে বলে সুত্রের খবর। নির্বাচন কমিশনের রাজ্য আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বুথে ঘুরে ঘুরে ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছে। তাদের সাথে দিল্লীতে ইতিমধ্যেই আলোচনা সেরে ফেলেছে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তারা। জানা গেছে রাজ্যে সমস্ত মিরবাচন প্রক্রিয়া তারা করতে চাইছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। অতীত অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে রাজ্য পুলিশকে যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করতে চাইছে তারা। আর সিভিক পুলিশদের কোন কাজে ব্যবহারে রাজি নয় কমিশন বলে সুত্রের খবর।









