ভোটের কাজে সিভিকে ‘নিষেধাজ্ঞা’ নির্বাচন কমিশনের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: ভোটের কাজে সিভিকে ‘নিষেধাজ্ঞা’ নির্বাচন কমিশনের। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটে বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল সব বিরোধী দলই। বহু ক্ষেত্রে সিভিক ভলান্টিয়ারেরা কার্যত রাজনৈতিক কর্মীর ভূমিকা পালন করেছিলেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুনঃ হাফ লাখ ভোটে হারাবেন, কেন এমন দাবি শুভেন্দুর? কি সেই নেপথ্য কাহিনী?

সূত্রের দাবি, এ বার নির্বা চন কমিশনের ফুল বেঞ্চ যখন রাজ্যে এসেছিল সে সময়েই বিরোধীরা এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন।বিরোধী নেতারা সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ন্ত্রণ করার দাবিও জানান। সিভিক ভলান্টিয়াররা ভোটের কাজে কোনও ভাবেই ডিউটি করতে পারবেন না।

সূত্রের খবর, শুধু তাই নয়, কোনও এলাকায় ভোটের তিন দিন আগে থেকে ভোট শেষ হওয়ার এক দিন পর পর্যন্ত কোনও ভাবে উর্দি পরে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ডিউটি করার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নির্দেশ সিভিক ভলান্টিয়ারদের পাশাপাশি গ্রিন পুলিশ ও স্টুডেন্ট পুলিশদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে।ইতিমধ্যেই নবান্ন ও লালবাজারে সেই নির্দেশ পৌঁছেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি।

গত কয়েকটি ভোটেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের’ অভিযোগ জানিয়েছিল বিরোধী দলগুলি। সরাসরি ভোটের ডিউটি না-দিলেও স্থানীয় মানুষকে ‘নিয়ন্ত্রণ’ করার অভিযোগও উঠেছিল। নির্বাচন কমিশনের এ বারের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই মনে করছেন, বিরোধীদের অভিযোগে কার্যত মান্যতা দিয়েছে কমিশন।

ভোটের কাজে সিভিকে ‘নিষেধাজ্ঞা’ নির্বাচন কমিশনের। সূত্রের খবর, বহু ক্ষেত্রেই সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগে শাসক দলের রাজনৈতিক সংশ্রবের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের একাংশ স্বীকার করছে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের একাংশের সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ‘ঘনিষ্ঠতা’ থাকে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত