নজরবন্দি ব্যুরোঃ খোলার সম্ভাবনা নেই কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। পড়ুয়াদের জন্য মানবিক উদ্যোগ। স্নাতক স্তরে ভর্তি নিয়ে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবার পলিটেকনিক এ ভর্তি নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য। একদিকে দিল্লি যখন জানিয়েছে গোটা দেশে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরে চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেখানে ফের অন্য ভূমিকা নিল রাজ্য সরকার। করোনা পরিস্থিতিতে যেকোন পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে রাজ্যে। রাজ্যসরকার এদিন বিজ্ঞপ্তি জারি করে ঘোষণা করেছে একথা।
আরও পড়ুনঃ ভারতের করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন নিরাপদ। স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে সুখবর।


আজ রাজ্য সরকার পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, পলিটেকনিকে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হবে না চলতি বছরে। শুধু তাই নয় প্রবেশিকা পরীক্ষার পরিবর্তে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতেই অনলাইনে কলেজে ভর্তি হতে পারবে পড়ুয়ারা। জানানো হয়েছে যারা আগেই আবেদন করেছে তাদের নতুন করে আর আবেদন করতে হবে না। রাজ্য জানিয়ে দিয়েছে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা পলিটেকনিকে ভর্তির জন্যে www.webscte.co.in ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে।
খোলার সম্ভাবনা নেই কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে বিশেষজ্ঞরা অন্য ইঙ্গিত খুঁজে পাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের কথায় রাজ্যসরকার এখন কোনভাবেই ছাত্র ছাত্রীদের জীবন বিপন্ন হতে পারে এমন কোন সিদ্ধান্ত নেবে না। সেই কারনেই এখন অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ থাকবে যাবতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভিড় করে পড়াশোনা করতে যাওয়ার থেকে কিভাবে পড়াশোনাকে অনলাইনে চালু করা যায় তা নিয়েও খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে রাজ্য বলে খবর সূত্রের।
অন্যদিকে দুদিন আগেই স্নাতক স্তরে ভর্তি নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। পার্থ বাবু জানিয়েছেন এই বছর পশ্চিমবঙ্গে সরকারি ও সরকার পোষিত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে স্নাতক স্তরের ভর্তিতে কোন ফি দিতে হবেনা। কিন্তু হটাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত। পার্থবাবু জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কোভিড পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পকেটের দুরবস্থার কথা চিন্তা করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অর্থের কারনে যেন শিক্ষা বিঘ্নিত না হয় সেই ব্যাপারেই সচেষ্ট হয়েছে সরকার বলে জানান তিনি।


শুধু ভর্তির ফি নয়, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলি ফর্ম ফিলাপ বা অন্য কিছুর ক্ষেত্রেও পড়ুয়া দের থেকে কোন টাকা নিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। কারন অনেক কলেজ সরাসরি অর্থ না নিলেও অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম এবং প্রস্পেকটাস এর জন্যে টাকা নেয় পড়ুয়াদের কাছ থেকে। এই বছর সেসব চলবে না বলে সাফ নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। পাশপাশি ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় বিভ্রান্তি দূর করেছেন তিনি।
এদিনভর্তি হওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, রাজ্যের সমস্ত সরকারি এবং সরকার-পোষিত অর্থাৎ গভর্নমেন্ট স্পন্সসর্ড কলেজগুলিতে এই বছর অনলাইনে ভর্তির ব্যাবস্থা গ্রহন করেছে সরকার। তাই নিশ্চিন্ত হয়ে অনলাইনে কলেজে ভর্তি হতে ছাত্র ছাত্রীদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।







