নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে নতুন নাম গোপাল দলপতি। মঙ্গলবার ইডির দফতরে উপস্থিত হলেন গোপাল দলপতি। তবে টাকা যে নিয়েছেন, সেটা প্রমাণের দায়িত্ব তাঁর, এমনটাই মন্তব্য করে বসলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল। এমনকি চাকরি প্রার্থীদের গোপালই যে অফিসে নিয়ে আসতেন, তা জানাচ্ছেন তাপস মণ্ডল।
আরও পড়ুনঃ Calcutta High Court: সিবিআইয়ের সিটে বিরাট বদল, তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ বিচারপতির


অভিযোগ, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ উঁচুতলার লোকজনদের কাছে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির টাকা পৌঁছে দিতেন গোপাল। এর আগে একটি মামলায় তিহাড় জেলে ছিলেন তিনি। পরে জামিনে মুক্তি পান। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর নাম জড়াতেই ইডির দফতরে হাজিরা দেন।

এদিন তাপস মণ্ডল দাবি করেন, গোপাল দলপতিকে খুঁজে বের করার জন্য ইডির তরফে জানানো হয়েছিল। মেদিনীপুরে গিয়ে দেখা করার কথা বলেন তিনি। এমনকি কয়েকজন ছাত্রছাত্রীর টাকা গোপাল এনে দিত বলেও অভিযোগ করেন তাপস। তবে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে তিনি টাকা নিয়েছেন কি না, সেসম্পর্কে তাপস মণ্ডলের জানা নেই বলেই জানিয়েছেন।
যদিও গোপাল দলপতির নাম এর আগে উল্লেখ করেছিলেন তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষ। তাঁর কথায়, গোপাল দলপতি আসল লোক। সকলের হয়ে টাকা তিনিই নিয়েছেন। কুন্তলকে প্রাথমিক জেরার পর ইডির দাবি, প্রতি বার টাকা লেনদেনের সময় কুন্তলের সঙ্গে ছিলেন বেসরকারি কলেজ সংগঠনের নেতা তাপস মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ গোপাল। তাপসের মহিষবাথানের অফিসেই টাকার লেনদেন চলত বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোপাল। তাঁর কথায়, কেন কুন্তল আমার নাম বলেছে জানি না। আমি ওকে চিনি। কিন্তু ও যা বলছে সব ভুল, মিথ্যা। ঘুরে আসি সব বলব, আমি সবই বলব।


ইডির দফতরে উপস্থিত হলেন গোপাল, মিলতে পারে একাধিক জনের নাম

নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তল ছাড়াও একাধিক বড় মাথাদের যুক্ত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে। তবে কী এবার গোপালকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সেই বড় মাথাদের নাম উঠে আসতে পারে? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।







