নজরবন্দি ব্যুরোঃ ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় সোমবার, চতুর্থ দিন ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন রাহুল গান্ধী। গত সপ্তাহে এই মামলায় ৩ দিন ইডির দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ। শুক্রবারেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল। কিন্তু সোনিয়া গান্ধীর অসুস্থতার জন্য ইডির তরফ থেকে সময় চেয়ে নিয়েছিলেন রাহুল। এদিনেও যখন ইডির দফতরে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি চলে টানা ১১ ঘন্টা জেরা।
আরও পড়ুনঃ ৪২ হাজারে বেনোজল কত? ২০১৪ টেটে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের নথি তলব হাই কোর্টের!

সূত্রের খবর, ন্যাশানাল হেরাল্ড মামলায় রাহুল গান্ধীর কাছ থেকে এখনও সন্তোষজনক উত্তর পায়নি ইডি। তাই বারবার তাঁকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে কংগ্রেসের এই হেভিওয়েট নেতাকে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে দাবি, সংস্থার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ভূমিকা কী ছিল, তা জানার চেষ্টা করছে ইডি (ED)। রাহুল গান্ধীর উত্তর সন্তোষজনক না হওয়ায় আগামীকালও তাঁকে হাজিতা দিতে বলেছে গোয়েন্দা সংস্থা। আজ ১১ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে মোট ৪০ ঘন্টা জেরা করা হল রাহুল কে।

অভিযোগ, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকা শুরু করে৷ যা কংগ্রেস ঘরানার বলে পরিচিত। ২০১০ সালে দ্য ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি শুরু হয়। যার ডিরেক্টর ছিলেন রাহুল গান্ধী। রাহুল গান্ধীর কাছে এই কোম্পানির ৩৮ শতাংশ শেয়ার ছিল। তাঁর মা সোনিয়া গান্ধীর ৩৮ শতাংশ শেয়ার ছিল। বাকি ২৪ শতাংশ শেয়ার ছিল কংগ্রেস নেতা মোতিলাল ভোরা, অস্কার ফার্নান্ডেজ, সাংবাদিক সুমন দুবে এবং কংগ্রেস নেতা স্যাম পিত্রোদার কাছে।
গ্রেফতার হতে পারেন রাহুল, ৪০ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আগামীকাল ফের তলব

বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর অভিযোগ, ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডে অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড অধিগ্রহণে জালিয়াতি হয়েছে। এতে জড়িত ছিলেন কয়েকজন কংগ্রেস নেতা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। সেই মামলায় সাত বছর আগেই ক্লিনচিট দিয়ে মামলা বন্ধের সুপারিশ দিয়েছিল ইডি। সংস্থার তৎকালীন যুগ্ম-অধিকর্তা অর্থ মন্ত্রককে জানিয়েছিলেন, কংগ্রেসের দুই শীর্ষনেতার বিরুদ্ধে সব অভিযোগই ভিত্তিহীন। কিন্তু তার পরেও একাধিক কংগ্রেস নেতাদের এই মামলায় তলব করা হয়। এখন ইডির নজরে রাহুল এবং সোনিয়া।



