নজরবন্দি ব্যুরো: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তোলপাড় বাংলা! দুর্নীতির দায়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। শুধু তাই নয়, দুর্নীতি মামলায় রহস্য সমাধানে মন্ত্রী ঘনিষ্টদের তলব করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। এমনকি তদন্তের জেরে ইতিমধ্যেই ইডির হাতে এসেছে একটি মেরুন ডায়েরি। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে আরও একটি ডায়েরি!
আরও পড়ুন: মঙ্গলে ফের বৈঠকে এথিক্স কমিটি, মহুয়ার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ! জোর জল্পনা
ইডি সূত্রের খবর, রেশন দুর্নীতিতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন জেলায় বাকিবুর ঘনিষ্ঠ গমকল ও চালকল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্যাকেজিং সংস্থার ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট যোগও সামনে এসেছে। যার দরুন আরও তথ্য জানতেও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জেরা করছে ইডি। তবে অন্যদিকে, ওই জেলার এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও একটি ডায়েরি। আর সেই ডায়েরিতেই রয়েছে চোরাপথে চাল, আটার মতো কত পরিমাণ রেশন দ্রব্য কত টাকা দিয়ে কেনা হয়েছে, সেসব হিসাব রয়েছে।

শুধু তাই নয়,কোন কোন ব্যবসায়ীর কাছে ওই আটা ও চাল পাঠানো হয়েছে, তা-ও জানানো হয়েছে। ডায়েরিতে ওই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে টাকার লেনদেনেরও হিসাব রয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই ডায়েরির ভিত্তিতেই ইডি বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর তালিকা তৈরি করেছে। তাঁদের কাছ থেকে আরও তথ্য জানার চেষ্টায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দার।

রেশন দুর্নীতিতে ফের ডায়েরি রহস্য, ব্যবসায়ীর নোটবুকে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
অন্যদিকে জানা যাচ্ছে, ওই মেরুন ডায়েরী ছাড়াও আরও তিনটি নোটবুকও কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাছে রয়েছে। আর সেগুলি মিলেছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে। যার দরুন বেশ কয়েকবার মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ককে ডেকে পাঠানো হয়েছিল সিজিও কমপ্লেক্সে। ইডির দাবি, ওই মেরুন ডায়েরিতেই লুকিয়ে থাকতে পারে দুর্নীতির রহস্য। তাই মেরুন ডায়েরির লেনদেন সংক্রান্ত যাবতীয় নথির দফতরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ককে। যদিওবা মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস নোটবুকের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলেই এর আগে দাবি করেছেন।




