বুধবার সকালেই ফের বড়সড় অভিযানে নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। জাতীয় সড়কের একাধিক টোল প্লাজায় কথিত জালিয়াতির মাধ্যমে টোল আদায়ের অভিযোগের তদন্তে কলকাতা-সহ মোট ১৪টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ২০০২ সালের অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন বা PMLA-এর আওতায় এই অভিযান চলছে।
এদিন ভোর থেকেই একাধিক রাজ্য ও অঞ্চলে একযোগে তল্লাশি শুরু হয়। কলকাতার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, জম্মু, মধ্যপ্রদেশ এবং দিল্লি-এনসিআর এলাকার বেশ কয়েকটি ঠিকানায় ED আধিকারিকরা পৌঁছন। টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত নথি ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখাই এই অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে জানা যাচ্ছে।
তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে জাতীয় সড়কের বিভিন্ন টোল প্লাজায় টোল আদায়ের পদ্ধতি এবং সেই সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন। অভিযোগের সূত্র ধরে একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক যোগাযোগের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় এসেছে।
PMLA-এর অধীনে এই তল্লাশি অভিযানের ফলে মামলাটির আর্থিক দিকটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় একইসঙ্গে অভিযান চালিয়ে নথি, লেনদেন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে ED।
কলকাতা-সহ দেশের একাধিক প্রান্তে একযোগে এই অভিযান ঘিরে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তল্লাশি শেষে কী কী তথ্য বা নথি তদন্তকারীদের হাতে আসে এবং টোল আদায়ে কথিত জালিয়াতির ঘটনায় আর কারা জড়িত, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে।



