নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে মানিক ভট্টাচার্যের ভূমিকা ইডির আতসকাঁচের তলায়। শিক্ষাক্ষেত্রে এই বিরাট দুর্নীতির কিংপিন ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। এমনটাই দাবি করছে ইডি। ইডি সূত্রে খবর, রাজ্যের প্রায় ৫৩০ টি বেসরকারি বিএড কলেজগুলির সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল মানিকের ছেলে ও তাঁর স্ত্রীর কোম্পানির। পরিষেবা বাবদ কয়েক কোটি টাকা দিয়েছিল কলেজগুলি। মানিকের সঙ্গে চুক্তি ছিল বিএড কলেজগুলির, ইডির বিস্ফোরক দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য।
আরও পড়ুনঃ Md Salim: বউ বাজারের ঘটনাস্থলে উপস্থিত সেলিম, কথা বললেন ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে
ইডি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, ভুয়ো তালিকা ধরেই তদন্ত করতে গিয়ে বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলির হাতে। ভুয়ো নিয়োগের অধিকাংশদের বিএড রয়েছে। অর্থাৎ, বেসরকারি বিএড কলেজগুলির সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমেই চাকরি হয়েছে বলে অনুমান ইডির।

ইডির বক্তব্য, এই মুহুর্তে রাজ্যে বেসরকারি বিএড কলেজের সংখ্যা প্রায় ৬৫০। যার মধ্যে ইডির নজরে ৫৩০ টি কলেজ। ২০১৩ সাল থেকে রাজ্যজুড়ে বিএড কলেজের রমরমা। তারপর থেকেই লাগাতার দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। ইডির অনুমান, মানিকের ছেলের সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল মানিকের ছেলের নামের কোম্পানির সঙ্গে। গোটা টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছে? এর সঙ্গে কারা জড়িত? সবটা জানতেই একাধিক কলেজের মালিকদের তলব করেছে ইডি।
অন্যদিকে, টেটের নিয়োগ নিয়ে নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে। একসঙ্গে সমস্ত নিয়োগের বিরুদ্ধে গিয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টে একটি মামলা দায়ের হুয়েছিল। এরপর শুক্রবারেও আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
মানিকের সঙ্গে চুক্তি ছিল বিএড কলেজগুলির, ইডির দাবি ঘিরে ফের চাঞ্চল্য

শুক্রবার যে বিষয়টি নিয়ে মামলা হয়েছে, তা হল টেটে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিএড বা ডিএড ডিগ্রিধারীদের পাশাপাশি, যাঁরা এই বিষয়ে পড়াশোনা করছেন তাঁদেরও যোগ্য বলে ধরা হচ্ছে কেন? ফলে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি বদলানো দরকার। এই প্রশ্ন তুলে মামলার দায়ের করেছেন চাকরি প্রার্থীদের একাংশ। তাই নিয়োগ নিয়ে ফের জটিলতা দেখা দিয়েছে।



