নজরবন্দি ব্যুরোঃ ছিঁড়ে গেল উর্দি, পুলিশকে দৌড় করিয়ে বেধড়ক মার বাম ছাত্র-যুবদের! বাম যুবনেতা মইদুলের মৃত্যুতে এখন ব্যাকফুটে রাজ্য প্রশাসন। নবান্ন অভিযানে গিয়ে পুলিশের লাঠিতে ব্যাপকভাবে আহত হন বাম যুব কর্মী মইদুল ইসলাম মিদ্যা। পুলিশের প্রচণ্ড মারে মইদুলের শরীরের একাধিক মাংসপেশিতে গুরুতর আঘাত লাগে। ফলে সডিয়াম, পটাশিয়াম বেরিয়ে গিয়ে ফুস্ফুসে জল জমতে শুরু করে জল। পেশি থেকে অতিরিক্ত প্রোটিন বেরিয়ে যায়, ফলত মৃত্যু হয় বছর ৩১এর যুবকের।
আরও পড়ুনঃ মমতার পুলিশ খুন করেছে, ‘হাল না ছাড়া’ কমরেডকে লাল সেলাম বিবি আলেয়ার।


পুলিশের লাঠি খেয়ে মইদুল বারবার বলছিলেন, “আর বাঁচবুনি, বাঁচবুনি আর।” অবশেষে তাঁর কথাই সত্যি হয় এদিন সাত সকালে। মাত্র ৩১ বছর বয়েসে ২ই কন্যা এবং স্ত্রি আলেয়া কে রেখে ‘শহীদ’ হয় মইদুল। তাঁর মৃত্যুতে রাজ্যজুড়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে বামেরা। প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাজ্য সরকার ও পুলিশ। সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ দেখা গেল দীনেশ মজুমদার ভবনের সামনে।
ছিঁড়ে গেল উর্দি, পুলিশকে দৌড় করিয়ে বেধড়ক মার বাম ছাত্র-যুবদের! ময়নাতদন্তের পর মৃত মইদুল ইসলাম মিদ্দার দেহ ডিওয়াইএফআই সদর দফতর দীনেশ মজুমদার ভবনে নিয়ে আসা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়৷ সেখানেই ভিড় করতে শুরু করেন ডিওয়াইএফআই কর্মীরা৷ কিন্তু কাঁটাপুকুর মর্গে ময়নাতদন্ত শুরু করতে দেরি হওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা৷ ডিওয়াইএফআই এবং অন্যান্য বাম কর্মী সমর্থকদের ভিড়ে এজেসি বোস রোড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়৷ তাই ভিড় সরাতে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ।
এতেই পুুলিশের উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বাম কর্মী সমর্থকরা। পুলিশের সঙ্গে প্রথমে বচসা তারপর ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সংখ্যায় কম হওয়ায় বাকি পুলিশকর্মীরা পালিয়ে যেতে পারলেও ভিড়ের মধ্যে আটকা পড়ে যান মানিকতলা থানার একজন এএসআই৷ তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়৷ এমন কি, তাঁর উর্দিও ছিঁড়ে নেওয়া হয়। পরে কয়েকজন ডিওয়াইএফআই কর্মীই তাঁকে উদ্ধার করে কিছুটা দূরে নিয়ে যান। সেখান থেকেই দৌড়ে কোনওক্রমে পালিয়ে যান আক্রান্ত পুলিশকর্মী৷









