সমাজের সমালোচনাকে উপেক্ষা করেই একের অপরের হাত ধরেছিলেন দুজনে। দীপঙ্কর দে ও দোলন রায়কে টলি পাড়ার পাওয়ার কাপল বললেও ভুল হবে না। দুজনের বয়সের ফারাক নিয়ে কৌতূহল অনেকেরই। একদিকে দীপঙ্করের বয়স ৮০ ছুঁই ছুঁই , অন্যদিকে দোলন (Dolon Roy Married Life) ৫০ পেরিয়ে গিয়েছেন। দুজনের বয়সে ২৪ বছরের ফারাক। এই অবস্থায় সম্পর্কের রসায়ন কেমন? দাম্পত্য জীবনের চাহিদা পূরণ হয় কীভাবে! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজেই একথা জানালেন অভিনেত্রী।



আরও পড়ুন: ইতিহাসের পাতায় গুরুত্বপূর্ণ ১০ ফেব্রুয়ারি, একনজরে আজকের দিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী
নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন দোলন। এবার কার্যত বেডরুম সিক্রেট ফাঁস করে ফেললেন তিনি। কোনও রাখঢাক না করেই তিনি বলেন, ‘ একটা সময় পর্যন্ত সব ঠিক ছিল, তারপর যা হওয়ার ছিল তাই হল। নিজেকে মানিয়ে নিলাম নাহলে সংসারে অশান্তি লেগে যায়।’ আরও বলেন, ‘ওঁকে (দীপঙ্কর) এতটাই ভালোবাসি যে এইসব গুরুত্ব পায়নি কখনও। ওঁকে বুঝতে দিইনি। যদি বুঝে ফেলত সম্পর্কটা হয়তো ঠিক থাকত না।’

১৯৯৭ সাল থেকে দীপঙ্কর ও দোলনের পরিচয়। ২০২০ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দীপঙ্করের বর্তমান মেয়েও নাকি দোলনের থেকে বয়সে বড়। এদিকে দোলনের মা ও স্বামীর বয়স প্রায় এক। জামাই শাশুড়ির সম্পর্ক টক ঝাল মিষ্টি। এনিয়েও তাঁদের অনেক কথা শুনতে হয়েছে। তবে এসব নিয়ে চিন্তিত নন তারকা দম্পতি। একে অপরকে ভালোবেসে এগিয়ে যাচ্ছেন। অভিনেতার শরীর খারাপ হলে আগলে রাখেন দোলন। অন্যদিকে স্ত্রীয়ের ভালো খারাপের দিকে নজর রাখেন দীপঙ্কর। সব মিলিয়ে সুখী গৃহকোণ তাঁদের।


শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ! ৮০-র দীপঙ্করের সঙ্গে মানিয়ে চলছেন দোলন, ফাঁস করলেন বেডরুম সিক্রেট

গত বছর আগস্ট মাসে প্রয়াত হন দীপঙ্করের বড় মেয়ে বৈশালী কুরিয়াকোস। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই কিডনি ও হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন বৈশালী। বড় মেয়ের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন দীপঙ্কর। সেইসময় শক্ত হাতে পরিস্থিতি সামলেছিলেন দোলন রায়।








