নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্ল্যানচেটের কথা সকলেই জানেন। অনেকে প্ল্যানচেটে বিশ্বাস করেন অনেকে আবার প্ল্যানচেটের নাম শুনলে হাসিঠাট্টা করেন। তবে এমন অনেকেই আছেন যারা প্ল্যানচেট করতে চান। কিন্তু সত্যিই কি প্ল্যানচেট করে আদৌ কোন লাভ আছে? প্ল্যানচেটে কি আত্মারা আদৌ সারা দেয়?
আরও পড়ুনঃ ঘটি-বাঙালের ঝগড়া ভুলে যান, পাতে রাখুন চিংড়ি মাছের ভর্তা


আপনারা কি জানেন স্বয়ং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও প্ল্যানচেটে বিশ্বাসী ছিলেন। এমনকি তিনি নাকি বহু পেতআত্মাদের সাথে একাধিকবার কথাও বলেছেন। কিন্তু প্ল্যানচেট কীভাবে করে সেই ব্যাপারে হয়তো অনেকেই জানেন না। কারন কোন কারনে যদি প্ল্যানচেটের প্রক্রিয়ায় ভুল হয়ে যায় তাহলে কিন্তু বিরাট বড় বিপত্তি হয়ে যেতে পারে।

প্ল্যানচেট করার আগে আপনাকে একটি প্ল্যানচেট বোর্ড জোগাড় করতে হবে। এবং একটি গোল টেবিলের ওপরে বোর্ডটি রাখতে হবে। এবং বোর্ডটির ওপর দিকে একটি মোমবাটি রাখতে হবে এবং সেটি জালিয়ে দিতে হবে। এবার আপনি যাকে ডাকতে চান তার কথা ভাবতে থাকুন। এবং আপনারা যতজন থাকবেন এবং যার মধ্যে আত্মার প্রবেশ ঘটাতে চাইবেন তার শরীরের মধ্যে আত্মাকে প্রবেশ করতে বলুন।


কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও প্ল্যানচেটে বিশ্বাসী ছিলেন, এই প্রক্রিয়াতে কি আত্মারা আসে?

তবে অবশ্যই একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে তা হল পুরো প্রক্রিয়াটি চলার সময় আপনারা একে ওপরের হাত কোনভাবেই ছাড়তে পারবেন না। এতে কিন্তু ক্ষতির সম্ভবনা থাকে। এবং খেয়াল রাখতে হবে সেই অন্ধকার ঘরে কোনরকম আলো যেন না জলে। এমনকি জানলা দিয়ে বাইরের আলোও যেন প্রবেশ না করে। শুধু থাকবে মনবাটির আলো। প্ল্যানচেট করে সফল হয়েছেন এরকম বহু ঘটনা রয়েছে সমাজে।
বিঃ দ্রঃ – নজরবন্দি পাঠককে প্ল্যানচেট বা এই ধরনের কোনও বিষয়ে উৎসাহিত করে না। এই প্রতিবেদনটির মাধ্যমে আপনাদের সামনে কিছু তথ্য তুলে ধরা হল মাত্র








