নজরবন্দি ব্যুরোঃ কাটমানি না দেওয়ার আবেদন প্রাপকদের, নজিরবিহীন উদ্যোগ নিল বর্ধমান পৌরসভা। দেশের মধ্যে Geo-tagging-র প্রথম স্থান পেয়েছে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প। কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়নমন্ত্রক সেই স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলা কে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ‘কাটমানি’ নিয়ে। যারা বাড়ি পান তাঁদের প্রাপ্য টাকার অনেকটাই কাটমানি দিতে চলে যায় বলে অভিযোগ। আর যদি কাটমানি না দেওয়া হয় তাহলে কপালে জোটে দূর্ভোগ। এবার সেই সমস্যা কাটাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে পৌরসভা।
আর পড়ুনঃ ফল প্রকাশ করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল, SSC-র পর PSC-র ক্লার্ক নিয়োগে দুর্নীতির গন্ধ!


রাজ্যের পুর এলাকায় গরিব মানুষদের মাথায় উপর ছাদের ব্যবস্থা করে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘বাংলা বাড়ি’ প্রকল্পটি চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রকল্পে এক-একটি বাড়ি তৈরি করতে খরচ হয় ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। রাজ্য সরকার দেয় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা, আর কেন্দ্র দেড় লক্ষ টাকা। ২৫ টাকা দিতে হয় উপভোক্তা অর্থাৎ যাঁর বাড়ি তৈরি হবে, তাঁকে।
এদিকে এই প্রকল্পের আওতায় যারা পড়েন তাঁদের পাপ্য পেতে গেলে দিতে হয় এলাকার বিভিন্ন দরের নেতাদের বিভিন্ন অ্যামাউন্টের কাটমানি। এই অভিযোগ এসেছে একাধিকবার। তাই বর্ধমান পৌরসভার পক্ষ থেকে এদিন কাটমানি না দেওয়ার আবেদন জানানো হল প্রাপকদের। পৌর উপ-প্রশাসক আইনুল হক এদিন জনসাধারনের উদ্দেশ্যে বলেন, “কোন নেতা, ছোট নেতা, বড় নেতা, অভিনেতা কে এক টাকাও দেবেন না। কেউ টাকা চাইলে তার নামে বর্ধমান পৌরসভাতে অভিযোগ করুন। কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।”
কাটমানি না দেওয়ার আবেদন প্রাপকদের, শুরু হল ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প।

এদিন আইনুল হক জানান, “বর্ধমান পৌরসভায় ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে ৪০০টি বাড়ির আবেদন জমা পরেছিল। তার মধ্য ৬২টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিলো। বাকি থাকা বাড়ির গুলির অনুমোদন এই মাসের মধ্যেই দিয়ে দেবে পৌর প্রশাসক মন্ডলি।” তিনি আরও বলেন চলতি বছরে ২১০০ টি বাংলার বাড়ি দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে পৌরসভা।









