নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ নিয়ে রাজ্য জুড়ে ক্ষোভ রয়েছে চাকরি প্রার্থীদের। আর এবার ফল প্রকাশ করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল হয়ে গেল PSC-র ক্লার্ক নিয়োগের ফল। ভোটের আগে এই নিয়োগ ইস্যুই সব থেকে বড় হাতিয়ার ছিল বিরোধীদের। বিজেপি হোক বা সিপিআইএম, নিয়োগ ইস্যুতে সবার টার্গেট ছিল মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু ভোট প্রচারে সেই ড্যামেজ নিয়ন্ত্রন করে চাকরিপ্রার্থীদের আশ্বস্ত করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন স্বচ্ছ ভাবে নিয়োগের। যার প্রতিফলন হয়েছিল ভোটবাক্সে।
আরও পড়ুনঃ শেষ হয়ে হইল না শেষ, ফের বাংলার আকাশে ভয়াবহ দুর্যোগের ঘনঘটা।


বিপুল ভাবে ক্ষমতায় ফিরে আসে তৃণমূল। শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় কে সরিয়ে দায়িত্বভার ব্রাত্য বসুর হাতে তুলেদেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্রাত্যও দায়িত্ব পেয়ে সচেষ্ট হয়েছেন নিয়োগে। ইতিমধ্যেই স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহন করেছে সরকার। কিন্তু বাদ সেধেছে একের পর এক মামলা। যার সবকটাই দুর্নীতি ইস্যুতে। মামলার বহর দেখে কিছুদিন আগেই চূড়ান্ত বিরক্ত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
নির্দেশ দিয়েছিলেন কোর্টের সমস্যা মিটিয়ে দ্রুত নিয়োগ করার। কিন্তু কোথায় কি! হাইকোর্ট একাধিক বার স্কুল সার্ভিস কমিশন কে ধমক এবং তিরস্কার করলেও। প্রায় প্রতিবারই কোন না কোন ভুল করেছে SSC, যার ফল স্বরূপ থমকে রয়েছে নিয়োগ। আর এবার যেটা হল তাতে এই একই ইস্যু অর্থাৎ দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। ফল প্রকাশ করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল করা হল ২০১৯ সালের ক্লার্কশিপ মেইন পরীক্ষার ফলাফল।
কিন্তু কেন? কমিশন জানিয়েছে, বহু পরীক্ষার্থী ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানানোয় পুনরায় পার্ট-১ ও পার্ট-২-এর মিলিত ফল খতিয়ে দেখা হবে। তারপর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। আর এতেই চরম দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। কারন পিএসসি এসএসসির মত ভুল করতে চাইছে না। চাইছে না কোন যোগ্য চাকরিপ্রার্থী বাদ পড়ে মামলা করুক হাইকোর্টে, থমকে যাক নিয়োগ। সূত্রের খবর চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ পেয়ে সাথে সাথেই লিস্ট বাতিল করা হয়েছে। কারন তালিকায় রয়েছে একাধিক অসঙ্গতি।


ফল প্রকাশ করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল ২০১৯ সালের ক্লার্কশিপ মেইন পরীক্ষার ফলাফল। দেখুন নোটিশ








