নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরুলিয়ার ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে আদালতের কাছে সিবিআইকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিঙ্গেল বেঞ্চ। এবার তপন কান্দুর খুনের ঘটনায় সিবিআই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে গেল রাজ্য।
আরও পড়ুনঃ কর্কটের অগ্নিভয়, তুলার আর্থিক সাফল্য, জানুন আজকের রাশিফল


আদালত সূত্রে খবর, আজই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানোর সম্ভাবনা। তবে কী এবার সিবিআই তদন্তে জোরালো আপত্তি রাজ্যের? নাকি একের পর এক মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে চলে যাওয়ায় চাপের মুখে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রাজ্য সরকার? উঠছে প্রশ্ন
অন্যদিকে, গতকালই কংগ্রেস কাউন্সিলর হত্যার ঘটনায় এফআইআর দায়ের করে তদন্তভার নিয়েছে সিবিআই। বুধবার থেকে শুরু হয়েছে তদন্ত। স্থানীয় আইসির বিরুদ্ধে কেন বারবার অভিযোগ ওঠার পর এসপির তরফে ক্লিনচিট দেওয়া হল? সত্যিই কী পারিবারিক বিবাদের কারণে খুন হতে হয়েছিল তপন কান্দুকে? নাকি এর পিছনে অন্য কোনও ঘটনা? সেই রহস্য উন্মোচন করতে পারবে সিবিআই? উঠছে প্রশ্ন৷
বুধবার সিবিআইয়ের টিম ঝালদায় পৌঁছানোর আগেই মৃত্যু হয় ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণব ওরফে সেফল৷ জানা গেছে, ১৩ মার্চ তপন কান্দু যখন খুন হন তখন তার সঙ্গে ছিলেন তিনি। বুধবার তার ঘর থেকেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বারবার পুলিশের তলবের কারণের এই পদক্ষেপ নিয়েছে সেফল। এমনটাই দাবী পরিবারের।


তপন কান্দুর খুনের ঘটনায় সিবিআই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ, নয়া পদক্ষেপ রাজ্যের

যদিও মৃত সেফল সুইসাইড নোটে লিখেছে, তপন কান্দুর হত্যার পর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন । সেই দৃশ্য মাথা থেকে বের হচ্ছে না। তার ওপর বারবার পুলিশের তলব। সেকারণেই এই পথ বেছে নিয়েছি। এতে কারোর প্ররোচনা নেই। সিবিআই আগে থেকে তদন্ত শুরু করলে এই ঘটনা ঘটত না। দাবী কংগ্রেস নেতা নেপাল মাহাতোর।








