নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাবুলের সমালোচক হিসেবে সুনাম রয়েছে দিলীপের। কিন্ত এবার দলবদলে সেই দিলীপ কেই তুলোধনা করতে শুরু করেছেন বাবুল। এতদিন পরে বাবুল সুপ্রিয় বুঝেছেন দিলীপ ঘোষের ভাষাজ্ঞান নেই! তাছাড়া তৃণমূলে যোগ দিয়ে বাবুল জানিয়েছিলেন, বিজেপিতে তিনি খেলতে পারছিলেন না। তাই তিনি দলবদল করেছেন। এবার সেই কথার সপাট জবাব এল দিলীপ ঘোষের তরফে। বললেন, বাবুল কে স্ট্রাইকার করেছিলাম গোল করতে পারেননি!
আর পড়ুনঃ এবার সপ্তাহের শেষ দুদিনও বাড়ছে মেট্রোর সংখ্যা, পরিবর্তন হচ্ছে সময়েরও
বাবুলের তৃণমূল যোগে কিছুটা ব্যাকফুটে থাকা দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, আবেগের বশে দলবদল করেছেন বাবুল সুপ্রিয়। আর দিলীপের এই কথার পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁর ভাষাজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। বাবুল বলেন, “ওঁর মন্তব্যের কোনও জবাব আমি দেব না। তবে দিলীপদার সঙ্গে দেখা হলে আমি ওঁকে বর্ণপরিচয় উপহার দেব। আমার মনে হয় দিলীপদাকে বাংলা ভাষা নতুন করে শিখতে হবে। উনি যেটা বলেন, সেটা বাংলা নয়। উনি বাংলা ভাষাকে কলুষিত করেন। ভদ্র বাংলা ভাষা কী সেটা ওঁর জানার প্রয়োজন আছে। বিরোধিতা করা ওঁর কাজ। সেটা করুন। কিন্তু বাংলা ভাষা ওঁকে শিখতে হবে।”
বাবুলের বর্ণপরিচয় উপহার দেওয়ার ইচ্ছা জাগার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই জবাব এল দিলীপের তরফে। তৃণমূলে যোগ দানের সময় বাবুল জানিয়েছিলেন বিজেপিতে থেকে খেলতে পারছিলেন না। সেই প্রসঙ্গ টেনে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, স্ট্রাইকার করেছিলাম গোল করতে পারেননি বাবুল। তাঁর কথায়, ‘বাবুলকে নিয়ে বিজেপির কোনও জ্বালা নেই। ওনাকে স্ট্রাইকার করেছিলাম, গোল করতে না পেরে এখন বলছেন খেলার সুযোগ পাননি!’
এদিকে বিধানসভা ভোটে বিজেপির অন্যতম কারন হিসেবে দিলীপ ঘোষ কে দায়ী করেছেন বাবুল। তাঁর কথায়। “দিলীপ ঘোষ রাজনীতিতে আমার জুনিয়র, ২১-এর নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের দায় দিলীপের, মুড়ি মিছরির মতো যখন দলে লোক নেওয়া হচ্ছিল, আমি প্রতিবাদ করি, তাই মন্ত্রিত্ব যায়।” রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা মন্ত্রীত্ব যাওয়ার ক্ষোভে যতই দল বদলান বাবুল, এই প্রশ্ন তাঁকে সারাজীবন তাড়া করবে, সত্যিই কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কয়লা চোর? নাকি জনগনের সামনে মিথ্যে বলতেন বাবুল?
স্ট্রাইকার করেছিলাম গোল করতে পারেননি, ‘BJP-তে খেলতে না পারা’ বাবুল কে খোঁচা দিলীপের।




