ধ্বংসস্তূপে (The Ruins) সরাতেই মিলছে দেহ। ৩০০ পেরিয়ে গেল মৃতের সংখ্যা। তবে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে কেউ জীবিত আছেন কিনা সেটা খুঁজে দেখার জন্য ব্যবহার করা হবে বিশেষ রাডার। এবিষয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই এর দাবি ধওংসস্তুপের মধ্যে কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। তাবুও জোর কদমেই চলছে উদ্ধারকাজ। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বৃষ্টি।
ইতিমধ্যেই শুক্রবার মৃতের সংখ্যা ৩০০ পার করে গিয়েছে। জোরকদমে চলা এই উদ্ধারকাজে মিলিতভাবে উদ্ধার চালাচ্ছে উপকূলরক্ষা বাহিনী, নৌসেনাবাহিনী, বায়ুসেনা ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দল। মঙ্গলবারের বিপর্যয়ের পর থেকেই টানা উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। অনুমান করা হচ্ছে এখনও বহু মানুষ এই ধ্বংসস্তূপের (The Ruins) মধ্যে চাপা থাকতে পারে বলে। কিন্তু বিপর্যয় এততাই বৃহত্তর ছিল যে একাধিক যোগাযোগ কারী সেতুও ভেঙে গিয়েছে তার পাশাপাশি অবিরাম চলছে বৃষ্টি। ফলে বিপদগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছতেই পারছেন না উদ্ধারকারীরা। যে কারণেই উদ্ধারকাজে বাধা পেতে হচ্ছে । তবে ইতিমধ্যেই একটি অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করে উদ্ধার কাজে গতি আনা হয়েছে।


যদিও কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বৃহস্পতিবার দাবি করেন, ধ্বংসস্তূপ (The Ruins) থেকে জীবিত কাউকেই আর উদ্ধার করতে বাকি নেই। তাই এখন কাজ কেবলই দেহ উদ্ধার করাই উদ্ধারকারী দলের মূল লক্ষ্য। তবে বেশ কিছু অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করায় উদ্ধার কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। এবার ওই পথে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে যেতে পারবে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।
সূত্রের খবর, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এখনও কেউ জীবিত রয়েছেন কিনা, সন্ধান চালাতে ব্যবহৃত হবে বিশেষ রাডার। শুধু তাই নয় ড্রোনের মাধ্যমে খুঁজে দেখা হবে ধ্বংসস্তূপের (The Ruins) মধ্যেও কেউ বেঁচে রয়েছেন কিনা। যদিও ঘটনার ৪ দিন পরে সেই সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে করছেন অনেকে। সেই সঙ্গে আশঙ্কা বাড়াচ্ছে বৃষ্টি। তবে যেভাবে ধ্বংসস্তূপ সরাতেই মিলছে একের পর এক মৃত দেহ তার ফলে আরও দিগুন হতে পারে এই মৃতের সংখ্যা এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে।









