ভোটের আগে বড় ধাক্কা—বীরভূমের মাড়গ্রামে জনসভা করতে গিয়ে কার্যত ফাঁকা মাঠ দেখে ফিরে গেলেন হুমায়ুন কবীর। বিশাল মঞ্চ, প্রস্তুতি সবই ছিল, কিন্তু অনুপস্থিত ছিল জনতা—আর সেই কারণেই সভা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন তিনি।
মঙ্গলবার মাড়গ্রাম-এ জনসভা করার কথা ছিল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতার। কিন্তু মাঠে পৌঁছে দেখা যায়, দর্শক আসনে প্রায় কেউই নেই। মঞ্চের সামনে হাতে গোনা কিছু মানুষ থাকলেও তা দিয়ে সভা চালানো সম্ভব ছিল না। ফলে সভাস্থলে না গিয়ে তিনি রামপুরহাটের একটি বেসরকারি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।


ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই উঠেছে প্রশ্ন—ভোটের আগেই কি জনসমর্থন কমে যাচ্ছে? বিশেষ করে সাম্প্রতিক বিতর্ক এবং ভাইরাল ভিডিওর প্রভাব কি পড়েছে তাঁর জনপ্রিয়তায়? রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।
যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে মানুষকে সভায় আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। কয়েক কিলোমিটার দূরে সমর্থকদের বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। এর জন্য সরাসরি দায়ী করেছেন All India Trinamool Congress-কে।
হুমায়ুনের বক্তব্য, বীরভূমে ‘ভয়ের রাজনীতি’ চলছে এবং বিরোধীদের সভায় যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি তাঁর হেলিকপ্টার নামানোর জন্য হেলিপ্যাড তৈরির অনুমতিও প্রশাসন দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।


প্রসঙ্গত, রাজ্যের বহু আসনে লড়াইয়ের ঘোষণা করেছে তাঁর দল। তবে মাঠে মানুষের উপস্থিতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে, তা অস্বীকার করা কঠিন।
সব মিলিয়ে, বীরভূমের এই ঘটনা ভোটের আগে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।









