নজরবন্দি ব্যুরোঃ দার্জিলিং পুরসভার দখল নিল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার অনীত থাপার নেতৃত্বাধীন জোট। তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে আস্থা ভোটে জয় ছিনিয়ে নিলেন তাঁরা। সূত্রের খবর, আস্থা ভোটে উপস্থিত ছিলেন না অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টির কাউন্সিলররা। উপস্থিত ছিলেন না গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার কাউন্সিলররা। পাহাড়ে ক্ষমতায় অনীত থাপারা আসতেই এক্স ফ্যাক্টর তৃণমূল।


প্রসঙ্গত, দার্জিলিং পৌরসভায় কাউন্সিলরের সংখ্যা ৩২ জন। এদিন উপস্থিত ছিলেন গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার ১৪ জন এবং ২ জন তৃণমূলের কাউন্সিলর। স্বাভাবিকভাবেই ১৬ টি আসন সহযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করল বিজিপিএম এবং তৃণমূল জোট। তবে এত সহজে হার মানতে নারাজ হামরো পার্টি। বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন তাঁরা।

আগামী সপ্তাহেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসছে অনীত থাপা। তার আগে তাঁরই নেতৃত্বে পাহাড়ের রাজনীতিতে এই রদবদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। গত ৯ মাস পাহাড়ের রাজনীতিতে যে বদল ঘটেছিল। তারপর যেন টলমল অবস্থা হয়েছিল হামরো পার্টির। ৬ জনের হামরো পার্টি ছেড়ে বিজিপিএম যোগদান পাহাড়ে রাজনৈতিক বদল এনে দিয়েছিল।
তৃণমূলের সমর্থন নিয়ে পাহাড়ে বদলের ডাক দিয়েছিল অনীত থাপার দল। দার্জিলিং পৌরসভা দখলের প্রক্রিয়া তখন থেকেই শুরু হয়েছিল। জল গড়িয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্টের তরফে সবুজ সংকেত পেতেই বিষয়টি আরও জোরদার হয়। বুধবার সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় এল অনীত থাপার দল।


পাহাড়ে ক্ষমতায় অনীত থাপারা, ফের পালাবদল

যদিও এই পালাবদলের ইঙ্গিত আগে থেকেই ছিল। তাই সকাল থেকেই জারি করা হয়েছিল ১৪৪ ধারা। রাখা হয়েছিল কমব্যাট ফোর্স। আস্থা ভোটের আগের দিনই তাৎপর্যপূর্ণভাবে একই মঞ্চে দেখা গিয়েছিল বিমল গুরুং, বিনয় তামাং ও অজয় এডওয়ার্ডকে। সেখানেই এডওয়ার্ড বলে বসেন, অনৈতিকভাবে দার্জিলিং পুরসভা দখল করতে চলেছে অনীত থাপারা। শিলিগুড়ি মেয়র গৌতম দেব বলেন, একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দল হিসেবে পুরসভার দখল নিয়েছিল হামরো পার্টি। কিন্তু এতদিন তারা কোনও কাজ করেনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই পাহাড়ের উন্নয়নে উদ্যোগী। সেকথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।








