নজরবন্দি ব্যুরো: ঘূর্ণিঝড় মোচা আছড়ে পড়ার আগেই যাবতীয় ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। বাংলায় ঘূর্ণিঝড়ে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতকাল অর্থাৎ শনিবার দুপুরেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিবর্ত। এই অবস্থায় শহরবাসীর সাহায্যে হেল্পলাইন নম্বর চালু করল লালবাজার। রবিবার সকাল থেকেই নম্বরগুলি কার্যকর হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Cyclone Mocha Update: কলকাতায় মোচার তাণ্ডব? কোথায় ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা, রইল বড় আপডেট


আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৮ মে ঘূর্ণাবর্তটি একটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। এরপর জলীয় বাষ্প সগ্রহ করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। তবে কোনদিকে অগ্রসর হবে তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পরই এর গতিপথ অনুমান করা যাবে। তবে আগামী সোমবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার পর যখন এটি মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোনোর সময় শক্তি বৃদ্ধি করে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।



‘মোচা‘র প্রভাবে বিপদে পড়লে সাধারণ মানুষ সাহায্যের জন্য কোথায় যাবেন? লালবাজারের তরফে চালু করা হয়েছে চারটি ফোন নম্বর। এছাড়া রয়েছে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। চারটি ফোন নম্বর হল- ২২৫০ ৫০৩৩, ২২৫০ ৫০৪৪, ২২১২ ১৮৯০, ২২৫০ ৫১৪৬। হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর- ৯৪৩২৬ ১০৪৫০। রবিবার (৭ মে) সকাল থেকেই ফোন নম্বরগুলি চালু থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোচার (Mocha) নামকরণ করেছে ইয়েমেন। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল বাংলাদেশ ও মায়ানমার সংলগ্ন উপকূল হতে পারে বলে অনুমান। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গ বড় দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে পারে। অন্যদিকে, আজ থেকেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হবে বলে জানিয়েছে হওয়া অফিস। সোমবার পর্যন্ত পর্যটক ও মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। যারা ইতিমধ্যেই সমুদ্রে চলে গিয়েছেন তাঁদের ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
সোমেই আছড়ে পড়বে মোচা! লালবাজারের তরফে খুলল কন্ট্রোল রুম

আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে তাপমাত্রা বাড়তে পারে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ পশ্চিমের কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা চলে যেতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।







