একের পর এক সমবায়ে দুর্দান্ত ফল বামেদের। হলদিয়া বন্দরের কনজিউমার্স সমবায়ে তৃণমূল এবং বিজেপিকে হারিয়ে বড় জয় পেল সিপিআইএম (CPIM)। মোট ৫৪টি আসনের মধ্যে ৪৮টি জিতল বাম প্রগতিশীল জোট, তৃণমূল পেল ৬টি। অন্যদিকে, খাতাই খুলতে পারল না বিজেপি। এই জয়ের পর হলদিয়া বন্দরে লাল আবির খেলায় মেতে ওঠেন বাম কর্মী সমর্থকেরা।
আরও পড়ুন: ক্ষোভে ফুঁসছে সন্দেশখালি, শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবিতে প্রতিবাদ গ্রামবাসীদের


প্রসঙ্গত, গত বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় ‘কনজিউমার সমবায় নির্বাচন’ অনুষ্ঠিত হয়। হলদিয়া বিবি ঘোষ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত হয় ভোটগ্রহণ। মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল ত্রিমুখী। তৃণমূল, বিজেপি ও সিপিআইএম-এর (CPIM) পক্ষ থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়। মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫৯১। সকাল ১০টা নাগাদ শুরু হয় ভোট গ্রহণ। সন্ধ্যায় ভোট গ্রহণ সমাপ্ত হয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেল, ৪৮টি জিতেছে বামেরা। তৃণমূল মাত্র ৬টি আর বিজেপি শূন্য।

বিধানসভায় একটিও আসন না পাওয়ার পর থেকেই নানান দিক থেকে কটাক্ষের শিকার হতে হয় রাজ্যের প্রাক্তন শাসক দল সিপিআইএমকে (CPIM)। শূন্য তকমা জুটেছে অনেকদিন হল। তারই মধ্যে লড়াই জারি রেখেছে লাল পার্টি। সমবায়গুলোতে সাফল্য আসছে। আর এই সাফল্য আগামী লোকসভা নির্বাচনেও ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছে বামেদের শীর্ষ নেতৃত্ব।



সমবায়ে জয়জয়কার বামেদের, হলদিয়া বন্দর লালে লাল!
নির্বাচনে জিতে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি বিমান মিস্ত্রি জানিয়েছেন, “আমরা তৃণমূলের অপশাসনের বিরুদ্ধে জোট করে লড়েছিলাম। বন্দরের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও শ্রমিক কর্মচারীরা আমাদের সমর্থন করেছে। এই ফলাফল গোটা রাজ্যে হবে আগামীদিনে।”

পাল্টা তমলুক জেলার সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ সরকারের বক্তব্য, “অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের ভোটে জিতল সিপিআইএম। আমাদের সংগঠন এখানে কিছুটা দুর্বল। ওরাই দীর্ঘদন ধরে সংগঠন চালিয়ে আসছে। এই ফলাফলের প্রভাব অন্যান্য নির্বাচনে কোনও ভাবেই পড়বে না।”







