ব্রিগেড ভরানোয় এখনও CPIM টেক্কা দিতে পারে TMC-কে, ছবি অন্তত তাই বলছে, বলছেন বাম সমর্থকেরাও!

TMC-CPIM: দু'টি ছবি। প্রথমটি গত ৭ জানুয়ারি, ডিওয়াইএফআই-এর ব্রিগেড সমাবেশ। আর দ্বিতীয় ছবিটা সদ্য সমাপ্ত তৃণমূলের জনগর্জনের। কিছু তফাৎ ধরা পড়ছে কি?

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

দু’টি ছবি। প্রথমটি গত ৭ জানুয়ারি, ডিওয়াইএফআই-এর ব্রিগেড সমাবেশ। আর দ্বিতীয় ছবিটা সদ্য সমাপ্ত তৃণমূলের জনগর্জনের। ২,৯১০ কিমি পথ হেঁটে ‘ইনসাফ যাত্রা’ শেষে ব্রিগেডে সভা করে বামেরা। আর এখন বাম কর্মী সমর্থকদের দাবি, ব্রিগেড ভরানোর ক্ষেত্রে এখনও সিপিআইএম টেক্কা দিতে পারে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। রবিবারের ব্রিগেডের ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে সেরকমই দাবি করছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: লক্ষ্য তফশিলি ভোট! তাঁদের নিয়ে এবার নতুন কৌশল তৈরি করতে বৈঠকের ডাক অভিষেকের

রবিবারের জনগর্জন সভায় ছিল একাধিক চমক। প্রথমত, মঞ্চসজ্জায়। যোগচিহ্নের আদলে তৈরি করা র‍্যাম্প আর তাতে হেঁটে বক্তৃতা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, বামেদের কথায়, তৃণমূলের জনগর্জন একটি সুপার ফ্লপ শো। বরং ৭ তারিখের ব্রিগেড অনেক বেশি সফল ছিল বলেি দাবি তাঁদের।

ব্রিগেড ভরানোয় এখনও CPIM টেক্কা দিতে পারে TMC-কে, ছবি অন্তত তাই বলছে, বলছেন বাম সমর্থকেরাও!
ব্রিগেড ভরানোয় এখনও CPIM টেক্কা দিতে পারে TMC-কে, ছবি অন্তত তাই বলছে, বলছেন বাম সমর্থকেরাও!

বাম কর্মী সমর্থকেরা বলেছেন, ডিওয়াইএফআই-এর সমাবেশে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের যোগদান ছিল অনেক বেশি স্বতঃস্ফূর্ত। সেখানে তৃণমূলের ব্রিগেডকে ‘সাজানো’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তাঁরা। তাছাড়া ডিম-ভাত খাইয়ে লোক ভরানোর যে প্রচেষ্টা হয়েছে তাতে সফলতা আসেনি বলেই দাবি সিপিআইএমের।

ব্রিগেড ভরানোয় এখনও CPIM টেক্কা দিতে পারে TMC-কে, ছবি অন্তত তাই বলছে, বলছেন বাম সমর্থকেরাও!

সমর্থকদের একাংশ বলছেন, কাছের ছবিতে মনে হচ্ছে অনেক লোক, কিন্তু দূর থেকে দেখলে বোঝা যাচ্ছে জনগর্জনে ওদের কত লোক এসেছে আর আমাদের ব্রিগেডে কত লোক এসেছে! খাতায় কলমে শূন্য হলেও বামেদের মিছিল বা সভায় বরাবরই যুব প্রজন্মের মধ্যে একটা উদ্দীপনা কাজ করে। কম বয়সীদের মধ্যে এখনও ‘মার্ক্সস’, ‘লেনিন’ বা ‘মাও’-এর আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছেন বাম নেতারা। আর সেই টানেই দলে দলে লোক এখনও সমাবেশে ভিড় করেন। যদিও ভোট ব্যাঙ্কে তার প্রভাব দেখা যায় না, এটাও সত্যি!

ব্রিগেড ভরানোয় এখনও CPIM টেক্কা দিতে পারে TMC-কে, ছবি অন্তত তাই বলছে, বলছেন বাম সমর্থকেরাও!

ব্রিগেড ভরানোয় এখনও CPIM টেক্কা দিতে পারে TMC-কে, ছবি অন্তত তাই বলছে, বলছেন বাম সমর্থকেরাও!

যদিও রাজ্যের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসাবে ক্রমেই নিজেদের জমি হারাচ্ছে বামেরা। কেন্দ্রীয় ক্ষমতার জোরে এ রাজ্যে বরং অনেক বেশি সোচ্চার বিজেপি। গেরুয়া দল ইতিমধ্যেই ২০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। ৪২ আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূলও। সেক্ষেত্রে, বামেরা এখনও পর্যন্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি। কংগ্রেসের সাথে তাঁদের একটা আসন সমঝোতা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। ব্রিগেডে শুধু লোক ভরালেই হবে না, নির্বাচনে কতটা সেই সমর্থন প্রতিফলিত হয় তা নিয়ে ভাবতে হবে বামেদের, কটাক্ষ করেছে তৃণমূল

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত