নজরবন্দি ব্যুরোঃ পরপর তিনদিন। দেশের করোনা সংক্রমণের দৈনিক গ্রাফ ছাড়াল ২০ হাজারের গণ্ডি। পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও। বিশেষ করে চিন্তায় রাখছে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলির পরিস্থিতি। শনিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জানানো তথ্য অনুযায়ী, ভারতের কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যা একদিনে বাড়ল ২০,০৪৪!
আরও পড়ুনঃ ২১ জুলাইয়ের পাল্টা কর্মসূচি বিজেপির, উলুবেড়িয়াতে বড় মিছিলের আয়োজন
দেশে এই নিয়ে মোট সংক্রমণ বেড়ে ৪,৩৭,৩০,০৭১-এ পৌঁছেছে। সক্রিয় সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে ১,৪০,৭৬০ হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গিয়েছে ৫৬ জনের! দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ৫,২৫,৬৬০। সক্রিয় সংক্রমণ একদিনে বেড়েছে ১,৬৮৭ এবং মোট সংক্রমণের ০.৩২ শতাংশ হল সক্রিয় সংক্রমণ।

কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠার হার ৯৮.৪৮ শতাংশ, জানিয়েছে মন্ত্রক। দৈনিক পজিটিভিটির হার ৪.৮০ শতাংশ। আর সাপ্তাহিক পজিটিভিটির হার ৪.৪০ শতাংশ। করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক কেরল, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, বাংলার মতো রাজ্যগুলিতে। গত ২৪ ঘণ্টাতেই যেমন মহারাষ্ট্রে সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২,৩০০-র গণ্ডি। প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন।

বাংলাতেও পরপর দু’দিন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ। তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ২০০০-এর বেশি। আমাদের রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী শুক্রবার নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩,০৬৭ জন। রোগে আক্রান্ত হয়ে এদিনও মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। বৃহস্পতিবারও করোনায় মৃত্যু হয়েছিল পাঁচজনের। আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩,০২৯ জন।

আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় ইতিমধ্যেই হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যে মূলত করোনার যে ভাইরাসের প্রভাবে লোকে আক্রান্ত হচ্ছেন সেটি হল বিএ ২.৭৫। এর ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা অনেক বেশি এবং প্রতিষেধককে ফাঁকি দিয়ে এটা শরীরে গেড়ে বসতে পারে।
দেশ ও রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে করোনা! আজ করোনার হাল হাকিকত এক নজরে
এর মারণ ক্ষমতা কম হলেও সংক্রমিত করার ক্ষমতা অনেকটাই। এই অবস্থায় আবার ২১ এ জুলাইয়ের অনুষ্ঠান রয়েছে রাজ্যে। বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ আসবেন সেই দিন। ফলে বড় জমায়েতের সম্ভবনা রয়েছে শহর কোলকাতায়। আর এই নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।




