৮ শতাংশ সুস্থতার হার কমে আজ আক্রান্ত ১৮৯৪, চুল্লী বানাতে সাহায্য চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৮ শতাংশ সুস্থতার হার কমে আজ আক্রান্ত ১৮৯৪, অন্যদিকে চুল্লী বানাতে সাহায্য চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী! গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিন ২৪ পরগণা, হাওড়া এবং হুগলী তে কার্যত বেলাগাম করোনা ভাইরাস। বাদ নেই উত্তরের জেলা গুলিও, কার্যত সংকট জনক পরিস্থিতি মালদা, দিনাজপুর বা দার্জিলিং জেলাতেও। শেষ সাত দিনে রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ।

আরও পড়ুনঃ উচ্চ মাধ্যমিক রেজাল্টে বেনজির বিভ্রাট, তদন্তের দাবি শিক্ষক সংগঠনের।

Shamim Ahamed Ads

মৃত্যু হয়েছে ১৭০ জনের বেশি।করোনার দুর্বার গতি রাজ্যে। রাজ্যে আক্রান্ত বেড়ে পেরিয়ে গেল ৩৮ হাজারের গণ্ডি, মৃত্যু ১০০০ পেরিয়ে গেল এদিন।রেকর্ড টেস্টের দিনে রেকর্ড ভাঙা সংক্রমণ হয়েছে রাজ্যে, আজকের বুলেটিনে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৯৪ জন! নতুন ১ হাজার ৮৯৪ জন আক্রান্ত কে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ হাজার ১১ জন।পাশাপাশি মৃত্যুমিছিলও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে।

এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে সার্বিক ভাবে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে আরও ২৬ টি। যা নিয়ে রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪৯।পাশাপাশি গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্য জুড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৩৮ জন। এদিনের ৮৩৮ জন কে নিয়ে রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২২ হাজার ২৫৩ জন। এদিন ৮৩৮ জন সুস্থ হয়ে রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৮.৫৪ শতাংশ করোনা আক্রান্ত। যা ক্রমাগত কমে ১০ দিনে নেমে এল প্রায় ৮ শতাংশ । গত ৭ তারিখে রাজ্যে সুস্থতার হার ছিল ৬৬.২৪ শতাংশ।

অন্যদিকে এই মুহুর্তে রাজ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৪ হাজার ৭০৯ জন।অর্থাৎ গতকালের থেকে চিকিৎসাধীন আক্রান্ত বেড়েছে ১০৩০ জন! পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ১৩ হাজার ২৪০। এখন পর্যন্ত রাজ্যে সর্বমোট টেস্টের সংখ্যা ৬ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩৪৮। প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু রাজ্যে পরীক্ষা হয়েছে ৭ হাজার ৫১৫ জনের। কার্যত করোনার তাণ্ডব রাজ্য জুড়ে!

প্রসঙ্গত গতকাল মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও ভয়ের কিছু নেই। সুস্থতার হার বেশি। তবে জনসাধারণকে আরও সচেতন হতে হবে।  তিনি ঘোষণা করেন জায়গা না দিলে মানুষের চিকিত্‍সা কী করে হবে? আরও চার হাজার বেড বাড়ছে রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে।”‌ মুখ্যমন্ত্রী আজ বলেন, “একটা কমিউনিটি সেন্টার পাচ্ছি না। আমার পাড়ায় করা যাবে না। কোভিড আক্রান্ত হলে কী করবে? কারও পাড়ায় কোভিড সেন্টার থাকবে না, সেফ হাউজ থাকবে না! কারও পাড়ায় দেহ পোড়ানো যাবে না! প্রতিদিন যদি ৩০ জন মারা যায়, কী হবে? ধাপায় একটাই চুল্লি। তা-ও খারাপ হচ্ছে। টাকা দিচ্ছি, সাতদিনে আর একটা চুল্লি তৈরি করে দিন।”

WB DHFW Bulletin 17th JULY REPORT FINAL page 001

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত