নজরবন্দি ব্যুরোঃ এবার করোনায় মৃতদের পরিবারদের পেনশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্র। করোনায় বাবা মা দুজনকেই হারানো অনাথ শিশুদের পাশে থাকার জন্য কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। আর তারপরেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করে কেন্দ্র। যে বৈঠকের পর গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে জানানাে হয়েছে, কোভিডের কারণে অনাথ হয়ে যাওয়া শিশুদের পাশে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁদের বিনামূল্যে শিক্ষার বন্দোবস্ত করা হবে। ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত বছরে ৫ লক্ষ টাকা স্বাস্থ্য বিমা পাবে।
আরও পড়ুনঃ হাই-ফাই প্যাকেজে ভ্যাকসিনেসন! হোটেল নার্সিংহোমের গাঁটছড়া আটকাচ্ছে কেন্দ্র


১৮ বছর বয়স হয়ে গেলে উচ্চ শিক্ষার জন্য বিনা সুদে শিক্ষা ঋণ পাবে। সেই সঙ্গে ১৮ বছরের পর স্টাইপেন্ড পাবে তারা। আর ২৩ বছর বয়স হয়ে গেলে এককালীন ১০ লক্ষ টাকা দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। এই টাকার সংস্থান পিএম কেয়ার্স তহবিল থেকে করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের তরফে বলা হয়েছে, কোনও শিশু একেবারে অনাথ হলে তাঁকে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে নবােদয় বিদ্যালয় বা সৈনিক স্কুলের মতাে আবাসিক স্কুলে ভর্তি করা হবে। আর তার যদি কোনও পরিবার থাকে অর্থাৎ বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর কোনও নিকট আত্মীয়ের কাছে থাকে, তা হলে নিকটতম কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। আর শিশুদের পর এবার করোনায় মৃতের পরিবারের জন্য নয়া সুবিধা দিতে চলেছে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পরিবারের উপার্জনকারীর কোভিডে মৃত্যু হলে এমপ্লয়িজ সেট ইনশিওরেন্স কর্পোরেশনের অধীনে তাঁর আয়ের ৯০ শতাংশ পেনশন হিসেবে পরিবারকে দেওয়া হবে।
২০২০ সালের ২৪ মার্চ থেকে ২০২২ সালের ২৪ মার্চ সময়সীমার মধ্যে যাঁরা করোনায় মারা গিয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। একইসঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে বিমার পরিমাণও। ৬ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হচ্ছে ৭ লক্ষ। ২০২০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে চালু হওয়া এই বিমার সব থেকে কম পরিমাণ হবে ২.৫ লক্ষ টাকা। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ক্ষেত্রে শিথিল করা হচ্ছে কিছু নিয়মও।
এবার করোনায় মৃতদের পরিবারদের পেনশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্র। একই সংস্থায় কর্মরত না হলেও চলবে, মৃত্যুর আগে এক বছরের মধ্যে সংস্থার বদলেও পাওয়া যাবে এই পেনশনের সুবিধা। উপার্জনকারীর মারা যাওয়ার পর সমস্যায় পরা পরিবারগুলির জন্য এই স্কিম যথেষ্ট সুবিধা দেবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।









