নজরবন্দি ব্যুরোঃ অমিতাভ, রাজকুমার হিরানির বেআইনি নির্মাণে ছাড়পত্র বিএমসির।সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু নিয়ে সর্ব প্রথম প্রশ্ন তোলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওত। কঙ্গনার সাথে মহারাষ্ট্রের অন্যতম শাসকদল শিবশেনার মতোবিরোধ সৃষ্টি হয়। নানা রকম ভাবে অভিনেত্রীকে ভয় দেখানো হয়। এবং এই মামলা থেকে দুরে থাকার হুশিয়ারি দেওয়া হয়।
আরও পড়ুনঃ পুর্ন ও আংশিক সময়ের শিক্ষকদের বেতন একই, সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট


এর প্রতিবাদে অভিনেত্রী মুম্বাইকে পাক অধিগ্রস্থ কাশ্মীর এবং শহরের রাজনৈতিক নেতাদের তালিবানেদের সাথে তুলনা করেন। কঙ্গনা রানাওতের অফিসে ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনার পরেই খবরে শিরোনামে আসে বিএমসি। প্রসঙ্গত, শীর্ষ আদালত সুশান্তের মৃত্যুর তদন্ত ভার দেয় সিবিআই-এর হাতে। ইন্ডাস্ট্রির একাধিক নাম করা ব্যাক্তিদের দিকে অভিযোগের আঙুল ওঠে সুশান্তের মৃত্যু ঘিরে।
অভিযোগ ওঠে রিহা চক্রবর্তী ও তার পরিবারের উপর। ইন্ডাস্ট্রিতে চলা স্বজনপোষণ নীতি, ড্রাগের ব্যবসা, ইন্ডাস্ট্রি মাফিয়াদের নিয়ে মুখ খোলেন কঙ্গনা। তদন্ত ভার সিবিআই নেওয়ার পর রিহা চক্রবর্তী এবং তার পরিবারের সরাসরি ড্রাগের ব্যবসার সাথে যুক্ত থাকার বিষয়টি সামনে আসে। কঙ্গনার মুম্বইয়ের অফিসকে বেআইনি নির্মাণ বলে একদিনের নোটিশ জারি করে বিএমসি। এবং তার পরে দিনই ভেঙ্গে গুরিয়ে দেওয়া হয় কঙ্গনার অফিস।
এর পরই বিএমসির কার্যকলাপের উপরে প্রশ্নচিহ্ন তুলেছেন কঙ্গনা। তিনি বলেন, মুম্বাইয়ে এমন কিছু মানুষ আছেন যাঁদেরকে বছরের পর বছর নোটিস দেওয়ার পরেও সেই সবক্ষেত্রে বিএমসি কোনও তৎপরতা দেখায়নি কেন? অমিতাভ বচ্চন, রাজ কুমার হিরানি -সহ সাত জনের বেআইনি নির্মাণের বিষয়টি তুলে কঙ্গনা প্রশ্ন তোলেন বিএমসির কার্যকলাপে। জানা গেছে, গোরেগাঁও পূর্বের সাতটি বাংলো যেখানে অমিতাভ বচ্চন, ওবেরয় রিয়্যালিটি, পঙ্কজ বলানি, হরেশ খান্ডেলওয়াল, সঞ্জয় ব্যাস, হরেশ জগতানির নির্মাণের প্ল্যানে অনিয়ম ধরা পড়েছে ৷


২০১৬ সালে MRTP 53(1) ধারায় নোটিশ পাঠানো হয়েছিল নির্মাতাদের কাছে। তার পরেও বেআইনি নির্মাণের কাজ চলতে থাকে। মাসের পর সেই সমস্ত নির্মাণের বিষয় গুলি ঝুলিয়ে রাখে বিএমসি। অবশেষে ২০১৭ সালে এই বেআইনি নির্মাণে ছাড়পত্র হয় বলে দাবি করেছেন কঙ্গনা। কঙ্গনা বলেন এর আগে বিএমসিকে এতো তৎপরতার সাথে কাজ করতে দেখা যায়নি। আরটিআই কর্তা অনিল গজলানিকে বেআইনি নির্মাণ গুলির বিস্তারিত তালিকা পাঠানোও হয়েছে ৷







