২০১৯ সালে রাহুল গান্ধী যেটা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন কিশোরীলাল শর্মা। কংগ্রেসের ঐতিহাসিক আসন আমেঠি পুনরুদ্ধার হল তাঁর হাত ধরেই। বিজেপির স্মৃতি ইরানিকে দেড় লক্ষেরও বেশি ভোটে হারিয়ে দিলেন কিশোরীলাল। তিনি পেলেন ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ২৮৮ ভোট। স্মৃতি ইরানি পেলেন ৩ লক্ষ ৭২ হাজার ৩২ ভোট।
আরও পড়ুন: সৃজন-শীল হল না যাদবপুর, পার্লামেন্টে যাবেন সায়নী, নজরবন্দির সমীক্ষা এক্ষেত্রেও সঠিক!


সেই ১৯৬৭ সালে প্রথমবার লোকসভা নির্বাচনেই আমেঠি যেতে জাতীয় কংগ্রেস। এরপর ১৯৭৭ সালে সেই আসন জিতেছিল জনতা পার্টি। প্রার্থী ছিলেন রবীন্দ্র প্রতাপ সিংহ। ১৯৮০ সালে প্রয়াত কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় গান্ধী এই আসন ফের ছিনিয়ে আনেন কংগ্রেসের পক্ষে।

১৯৯১ সাল পর্যন্ত এই কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন রাজীব গান্ধী। মাঝে বিজেপি এক বছরের জন্য এই আসন জিতলেও ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে আমেঠিতে জয় পান সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী।
এ হেন আমেঠিতে ২০১৯ সালে বিপর্যয় ঘটে কংগ্রেসের। স্মৃতি ইরানির কাছে হেরে যান রাহুল গান্ধী, প্রায় ৫৫ হাজার ভোটে। এইবার সেই আসনেই জয় পেল কংগ্রেস। শুধু তাই নয় উত্তরপ্রদেশে বিজেপি বিরোধীদের এবারের ফল দৃষ্টান্তমূলক।


আমেঠি পুনরুদ্ধার কংগ্রেসের, স্মৃতি ইরানিকে হারালেন কিশোরী লাল

এবার উত্তরপ্রদেশের ৮০টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেল ৩৯টি আসন। সেখানে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি পেয়ে গেল ৪০টি আসন। দেশেও একই হাল বিজেপির। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল না তাঁরা। ২৪৩টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। এনডিএ এগিয়ে ২৯৫টি আসনে। ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে ২৩০টি আসনে।







