কন্যাশ্রী হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অন্যতম প্রকল্প। যে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো সেই সমস্ত মেয়েদের উন্নতি করা যারা দরিদ্র পরিবারের এবং এইভাবে কঠিন অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে উচ্চতর পড়াশোনা করতে পারে না। এছাড়াও যাতে পরিবারগুলি অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে আঠারো বছরের আগে তাদের মেয়ের বিবাহের ব্যবস্থা না করে। পরবর্তীকালে যা জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগ এবং ইউনিসেফ কর্তৃক এটিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
২০১৩ সালের ১৪ই আগষ্ট এই স্কিমটি প্রচার করার জন্য রাজ্যব্যাপী অনুষ্ঠানিক ভাবে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছিল। সেই থেকেই এই দিনটি কন্যাশ্রী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী কন্যাশ্রি দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন “আমার সরস্বতী কন্যাশ্রী ভবিষ্যতের ভাগ্যশ্রী, আমার সরস্বতী আঁধারেও আলো, সারা বিশ্বে বিশ্বশ্রী। আজ কন্যাশ্রী দিবস। আমার প্রত্যেক কন্যাশ্রীকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ২০১৩ সালে আমরাই এটা চালু করেছিলাম। ইউনেস্কো তে সেরার শিরোপা পেয়ে সেই কন্যাশ্রী আজ বিশ্বজয়ী। গরিব-বড়লোক নির্বিশেষে রাজ্যের সব মেয়ে এখন কন্যাশ্রী! এই শুভদিনে আমার কন্যাশ্রীদের বলবো, তোমরা এগিয়ে যাও। নিজের নিজের স্বপ্ন পূরণ করো। তোমাদের যে কোনো দরকারে আমি তোমাদের পাশে আছি।”


এই প্রকল্পের দুটি সুবিধা হলো, প্রথমটি হল বার্ষিক স্কলারশিপ ১০০০ টাকা প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী মেয়েদের শিক্ষা ক্ষেত্রে থাকার জন্য। এবং দ্বিতীয় সুবিধা হল ২৫০০০ টাকা এককালীন অনুদান বাবদ প্রদান করা হয়। আর এই প্রকল্পকে ২০১৭ সালের জুন মাসে রাষ্ট্রসংঘ কন্যাশ্রীকে জনসেবাকল্যাণ প্রকল্প হিসেবে সর্বোচ্চ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করে।
এরপরেই রাজ্য জুড়ে এই প্রকল্পের প্রচারের জন্য ১৪ই আগস্ট কন্যাশ্রী দিবস হিসাবে পালিত হয়। ২০১৩ সালের ১৪ই আগষ্ট এই স্কিমটি প্রচার করার জন্য রাজ্যব্যাপী অনুষ্ঠানিক ভাবে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছিল। কলকাতায় এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি । তারপর থেকেই সরকার জেলায় জেলায় সচেতনতামূলক প্রচারণার আয়োজন করেছে।








