Cigarette: গাঁজা-সিগারেটের মিশ্রণে ঘটবে বড় ধামাকা, দাবি সমীক্ষার

গাঁজা-সিগারেটের মিশ্রণে ঘটবে বড় ধামাকা, দাবি সমীক্ষার
Cigarette smoking marijuana more deadly claims study

নজরবন্দি ব্যুরোঃ হালের গবেষণা বলছে, শুধু সিগারেট খেলে ফুসফুসের যে পরিমাণ ক্ষতি হয় সিগারেট এবং গাঁজার মিশ্রণে ধুমপান করলে তার চেয়ে আরও অনেক বেশি ক্ষতি হয়। যদিও যে কোনও প্রকার ধূমপানই স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। ফুসফুস সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সূত্রপাত হয় এখান থেকেই। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গাঁজা ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশই হল এখনকার তরুণ প্রজন্ম। যাদের বয়স ৪০-এর মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ ৭৫ শতাংশ স্ট্রেস বাড়ে লবণ খেলে, গবেষণায় সামনে এলো হাড়হিম কিছু তথ্য

গাঁজা ও সিগারেট দুটোই ক্ষতিকর। সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে ‘ক্ষতিকর’ লেখা থাকলেও গাঁজার ক্ষেত্রে তা নেই। দীর্ঘ দিন ধরে ধূমপান করার ফলে, ফুসফুসের টিস্যুগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুসের মধ্যে ব্রঙ্কিয়লের শেষপ্রান্তে থাকা বায়ুথলিগুলি ছিঁড়ে যায়। রক্তে অক্সিজেন প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে। স্বভাবতই সারা বছর কাশি, বুকে চাপ ধরা, শ্বাসকষ্ট বা ‘এমফিসেমা’র লক্ষণ প্রকাশ পায়।

গাঁজা-সিগারেটের মিশ্রণে ঘটবে বড় ধামাকা, দাবি সমীক্ষার
গাঁজা-সিগারেটের মিশ্রণে ঘটবে বড় ধামাকা, দাবি সমীক্ষার

শুধু ভারতে নয়, আমেরিকাতেও প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ ভয়ঙ্কর এই রোগের শিকার। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হল এই ফুসফুস সংক্রান্ত সমস্যা। সিগারেট ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য শীর্ষ ঝুঁকির কারণ। কিছু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ থেকে জানা যায় যে গাঁজা এবং ফুসফুস ক্যান্সারের মধ্যে কোনও যোগসূত্র অবশ্য নেই। এটি ২০১৩ সালের যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারাল রিপোর্ট অনুসারে, যা প্রায় দুই দশক ধরে গাঁজা নিয়ে গবেষণা চালিয়েছিল।

গাঁজা-সিগারেটের মিশ্রণে ঘটবে বড় ধামাকা, দাবি সমীক্ষার

ওটাওয়া হাসপাতালের রেডিয়োলজি বিভাগের গবেষণারত বিজ্ঞানীরা বলছেন, ধূমপায়ীদের মধ্যে যারা গাঁজা বা মারিজুয়ানা খান তাঁদের মধ্যে ৭৫ শতাংশ মানুষের মধ্যেই এমফিসেমার লক্ষণ দেখা যায়। অন্য দিকে, যারা সিগারেট খান তাদের মধ্যে ৬৭ শতাংশ মানুষের মধ্যে এই রোগ দেখা যায়। যা ৮ শতাংশ হলেও কম।

গাঁজা-সিগারেটের মিশ্রণে ঘটবে বড় ধামাকা, দাবি সমীক্ষার
গাঁজা-সিগারেটের মিশ্রণে ঘটবে বড় ধামাকা, দাবি সমীক্ষার

আর যাঁরা ধূমপান করেন না তাঁদের সংখ্যাটা নগণ্য। অনেকেরই ধারণা সিগারেটের থেকে গাঁজা হয়তো কম ক্ষতিকারক। কিন্তু গবেষণা বলছে, এই ধারণা সত্যি নয়। নিয়মিত গাঁজার ব্যবহার মানসিক অসুস্থতার সাথে সম্পর্কিত, বিশেষত সিজোফ্রেনিয়া এবং হতাশা।

গাঁজা-সিগারেটের মিশ্রণে ঘটবে বড় ধামাকা, দাবি সমীক্ষার

গাঁজা-সিগারেটের মিশ্রণে ঘটবে বড় ধামাকা, দাবি সমীক্ষার

‘দ্য আমেরিকান লাং অ্যাসোসিয়েশন’ জানিয়েছে, বাইরে থেকে যদি ভাল কিছু নিশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে যায়, তা হল বিশুদ্ধ বায়ু। এ ছাড়া অন্য যে কোনও জিনিসই ফুসফুসের জন্য বিষাক্ত। তাই শুধু ধূমপান নয়, নিশ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে দিয়ে পরিবেশ থেকে যদি কোনও দূষিত বায়ু ফুসফুসের মধ্যে প্রবেশ করে, তা-ও ক্ষতিকারক।