চলতি মাসেই কেন্দ্র সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। আগামী ২৩ বা ২৪ জুলাই বাজেট ঘোষণা হতে পারে। আর এবারের বাজেটে শরিকদের একাধিক দাবি দাওয়া মানতে হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এমনটাই জানা গিয়েছে। কারণ, শেষমেশ তাঁদের সমর্থন নিয়েই তৃতীয়বারের জন্য মসনদে বসেছেন কিনা!
শরিকদের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এলেও নরেন্দ্র মোদির সুকৌশলে তাঁদের একাধিক দাবি এড়িয়ে গিয়েছেন। পূর্ণ মন্ত্রীদের ১০ জনের মধ্যে শরিকদের মাত্র ২ জনকে জায়গা দিয়েছেন তিনি। স্পিকার পদও নিজেদের দখলে রাখতে সমর্থ হয়েছে বিজেপি। এমতাবস্থায় অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিডিপি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নায়ডু বাজেটে নিজের একাধিক দাবির কথা তুলে ধরলেন। একদিন আগেই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের সঙ্গে দেখা করে নিজের প্রস্তাব জানিয়েছেন তিনি।



চন্দ্রবাবুর দাবি, দক্ষতাগত জনগণনা করতে হবে, শুধুমাত্র জাতিগত জনগণনা করলে হবে না। দাবি তুলল বিজেপির শরিকদল টিডিপি। সঙ্গে, নতুন জ্বালানি তেল শোধনাগার থেকে শুরু করে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্যে অর্থ বরাদ্দের দাবিতে শরিক বিজেপির ওপরে চাপ বাড়াচ্ছে অন্ধ্রের শাসকদল।
দক্ষতাগত জনগণনা হলে দেশের বেকারত্ব সমস্যার একটা সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসতে পারে বলে মনে করেন চন্দ্রবাবু। টিডিপি জানিয়েছে, কর্মদক্ষতা অনুযায়ী জনগণনা করা হলে একটা স্পষ্ট ধারণা মিলবে যে দেশের কত শতাংশ নাগরিক সংগঠিত বা অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ কররা যোগ্য এবং ঠিক কতজন বেকার।


বাজেটের আগে শরিক-চাপে বিদ্ধ বিজেপি, লম্বা ফর্দ নিয়ে দরজার বাইরে চন্দ্রবাবু

কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের আগে সমর্থন জানিয়েই চন্দ্রবাবু অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য স্পেশাল প্যাকেজ এর দাবি জানিয়েছিলেন। আগামী দিনে বাজেট প্রকাশের আগে সেই কথা আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিলেন তিনি। পোলাভারান সেচ প্রকল্পের কাজ ফের চালু করার জন্য অর্থ চান চন্দ্রবাবু।
অন্ধ্রের নয়া রাজধানী হিসেবে অমরাবতীকে গড়ে তোলার জন্যেও জোর কদমে কাজ শুরু করতে চাইছে টিডিপি-বিজেপি জোট সরকার। সেই জন্যও বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করতে হবে কেন্দ্র সরকারকে। আর এই সব পরিকাঠামোগত উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ঘোষণা যাতে বাজেটেই করা হয়, তার জন্যেও চাপ তৈরি করছেন চন্দ্রবাবু নাইডু।








