এ বারে ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনও দল। বিজেপি আটকে গিয়েছে ২৪০ আসনে। তাই সরকার গড়তে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহদের ভরসা করতে হচ্ছে এনডিএ-র শরিকদের উপর। প্রাপ্ত আসন সংখ্যার নিরিখে এনডিএ-র শরিকদের মধ্যে বিজেপির পরই রয়েছে চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি)। তৃতীয় স্থানে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)। এদিকে স্বরাষ্ট্র দফতর চেয়েও পাননি চন্দ্রবাবু নাইডু। তাঁর শর্ত হয় অমিত শাহর হাত থেকে স্বরাষ্ট্র দিতে হবে অন্য কাউকে অথবা টিডিপিকে। কিন্তু সেটা হয়নি। শেষ মুহুর্তে স্বরাষ্ট্র দফতর গিয়েছে অমিত শাহর হাতেই। তাই এবার স্পিকার পদ নিয়ে দর কষাকষি শুরু করলেন চন্দ্রবাবু নাইডু।
আরও পড়ুনঃ গুরুত্ব পেলনা টিডিপি-র দাবি, চন্দ্রবাবুর আবদার উড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক শাহকে দিলেন মোদী।


জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমার ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডু কোন শর্তে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন তৃতীয় এনডিএ সরকারকে সমর্থন করবেন, তা নিয়ে এখনও বিস্তর চাপানউতোর চলছে। এবং শুক্রবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে দু’জনেই নমোকে সম্পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিলেও আগামিদিনে তাঁদের সব দাবি পূরণ না-হলে তাঁরা কোন পথে হাঁটবেন, তা নিয়ে যথেষ্টই সংশয় রয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এদিকে INDIA জোটের তরফে চন্দ্রবাবু নাইডুর সাথে যোগাযোগ রাখা হয়েছে, যাতে লোকসভার স্পিকার পদটি কোনভাবেই বিজেপির হারে না যায় সেই কারনে। এবার অঙ্কের বিচারে বিরোধীরা যথেষ্ট শক্তপোক্ত জায়গায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্পিকারের ‘ক্ষমতা’কে কাজে লাগিয়ে যাতে মোদী সরকার একই পথে হাঁটতে না-পারে, সেটাই আগেভাগে নিশ্চিত করতে চায় বিরোধীরা। সূত্রের দাবি, দু’দিন আগে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকেও প্রসঙ্গটা উঠেছিল। ‘ইন্ডিয়া’ জোট সূত্রে খবর, লোকসভার স্পিকার পদ টিডিপি-কে দেওয়ার জন্য চাপ যাতে চন্দ্রবাবুরা বজায় রাখেন, তার জন্য তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র চেয়েও পাননি, স্পিকার পদ না পেলে বড় সিদ্ধান্ত, হুশিয়ারি চন্দ্রবাবু নাইডুর



অন্যদিকে, রেল চেয়েও পাননি নিতীশ, স্বরাষ্ট চেয়েও পাননি চন্দ্রবাবু, বিজেপি সবকটা গুরুত্বপূর্ণ দফতর রেখেছে নিজের হাতেই। তাই এবার আর কম্প্রোমাইজ নয় বলে জানিয়ে দিয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। স্পিকারপদ দিতেই হবে বলে দাবি তাঁর। পাশাপাশি এই একই পদের জন্যে দাবি জানিয়েছেন এনডিএ-র আর এক শরিক চিরাগ পাসোয়ানও। কিন্তু রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন, স্পিকার পদ তো একটিই, সেখানে তিন শরিককে কী জাদুতে তুষ্ট করবেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহরা?








