বিহারকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হোক, চেয়েছিল নীতীশ কুমারের জেডিইউ। সে ‘আবদার’ রাখতে পারেনি কেন্দ্র। পত্রপাঠ সে আর্জি খারিজ করে দেওয়া হয়। তবে নীতীশের রাজ্যকে হতাশ করল না কেন্দ্রের বাজেট। বলা ভাল, নীতীশ কুমারকে শাসক-জোটে রাখার যাবতীয় চেষ্টা হল বাজেটে। বিহারের উন্নয়নে ঢালাও ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের। বিমানবন্দর থেকে এক্সপ্রেসওয়ে, ঝুলিতে একের পর এক প্রকল্প।



এদিন কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে, সড়ক পরিবহণের গতি আরও বাড়াতে পাটনা-পূর্ণিয়া এক্সপ্রেসওয়ে, বক্সার-ভাগলপুর এক্সপ্রেসওয়ে হচ্ছে। বোধগয়া-রাজগীর-বৈশালী-দ্বারভাঙাও পাবে সড়কের নয়া দিশা। বক্সারে দু’ লেন ব্রিজ হবে গঙ্গার উপর। বিহারের রাস্তা, বিদ্যুতের জন্য ৪৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কাশীর ধাঁচে হবে গয়া, বুদ্ধগয়ায় মন্দির-করিডর। রাজগীর-নালন্দাতেও উন্নয়নের কাজ হবে।

এদিন বাজেট ভাষণের শুরুর দিকে ন’টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই ন’টি ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে কৃষি, কর্মসংস্থান, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার, উৎপাদন ও পরিষেবা, নগরোন্নয়ন, শক্তি, উদ্ভাবন ও গবেষণা এবং নতুন প্রজন্মের জন্য সংস্কার। কিন্তু বাজেট পেশের পর মনে হল সরকার টেকাতে বাজেট আটকে রইল চন্দ্র-নীতীশে। তৃতীয় এনডিএ সরকারের দুই শরিক দল বিহারের জেডিইউ এবং অন্ধ্রপ্রদেশের তেলুগু দেশম পার্টিকে খুশি করতে বেশ কয়েকটি আর্থিক প্যাকেজ ও প্রকল্প ঘোষণা করেন নির্মলা।


সরকার টেকাতে বাজেট আটকে রইল চন্দ্র-নীতীশে, শরিক তুষ্টিকরণের রাজনীতি?

অন্ধ্রপ্রদেশ পুনর্গঠন আইনের সূত্র মেনে অন্ধ্রের নতুন রাজধানী অমরাবতীর পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বাড়তি ১৫ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, আগামী বছরগুলিতে এই ধরনের আরও একাধিক আর্থিক প্যাকেজ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্মলা। মূলত অমরাবতীর পুনর্গঠনে খরচ হবে এই টাকা। অন্ধ্রের রয়্যালসীমা অঞ্চল, কার্নল, অনন্তপুর, ওয়াইএসআর এবং চিত্তোর, চার জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেবে মোদি সরকার।








