নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুরের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর পর সরগরম সব মহল। ইউজিসির গাইডলাইনে থাকার পরও বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সিসিটিভি নেই,অভিযোগ ওঠে বিশৃঙ্খলতার । প্রশ্নের মুখে পড়ে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা। এই অবস্থায় ঘটনার দু সপ্তাহের মাথায় সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও নতুন করে জট তৈরি হয়েছে। উপাচার্য বারবার বলে দেওয়ার পরও কর্মসমিতির ছাড়পত্র ছাড়া সিসিটিভি বসাতে চাইছেন না কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার জেরার মুখে মন্ত্রী সুজিত বসু, ৩১ আগস্ট তলব নিজাম প্যালেসে
গত ৯ আগস্ট প্রথম বর্ষের বাংলা বিভাগের পড়ুয়ার মৃত্যুর পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং সহ আরও নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের দাবি, ইউজিসির নির্দেশিকা অমান্য করেই প্রাক্তনী ও বর্তমান পড়ুয়াদের ‘রাজত্ব’ চলছিল। কর্তৃপক্ষের গা ঢিলেমিও চোখে পড়েছে। কিন্তু পড়ুয়ার মৃত্যুর পর তাদের ‘টনক নড়েছে’। রাজ্যপাল কর্তৃক অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগের পরই বিশ্ববিদ্যালয়কে শৃঙ্খলতার আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। জানা গিয়েছিল, ইউজিসির নির্দেশিকা মেনেই ১১ টি সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত নেন উপাচার্য। কিন্তু সূত্রে খবর, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্মসমিতির ছাড়পত্র ছাড়া এই কাজ করাতে চাইছে না।

যাদবপুরের কর্মসমিতিতে রাজ্য সরকার এবং আচার্যের মনোনীত প্রতিনিধি থাকেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসিটিভি বসানো হবে কি না তা নিয়ে রাজ্য সরকার এবং রাজ্যপাল কী ভাবছেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করেই জট তৈরি হয়েছে বলেও মনে করছেন অনেকে।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়েবেলের সহযোগিতাতেই সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। উপাচার্য জানিয়েছেন, মেন হস্টেল এবং অন্যান্য হস্টেলের মেন গেটেও ক্যামেরা বসবে। অন্যদিকে, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর বিরোধিতায় সরব হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ। ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের নজরে রয়েছে আরও কয়েকজন পড়ুয়া ও প্রাক্তনী।
CCTV বসানোর সিদ্ধান্তের পরও থমকে প্রক্রিয়া, যাদবপুরে নতুন করে জট




