ঝোড়ো ব্যাটিং সিবিআই-এর, নারদার পর কয়লাকাণ্ডের চার্জশিট জমা এই মাসেই।

ঝোড়ো ব্যাটিং সিবিআই-এর, নারদার পর কয়লাকাণ্ডের চার্জশিট জমা এই মাসেই।
ঝোড়ো ব্যাটিং সিবিআই-এর, নারদার পর কয়লাকাণ্ডের চার্জশিট জমা এই মাসেই।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঝোড়ো ব্যাটিং সিবিআই-এর, নারদার পর কয়লাকাণ্ডের চার্জশিট জমা এই মাসেই। নারদা মামলার তদন্তে আচমকা ঝোড়ো ব্যাট চালিয়ে রাজ্যের চার হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। দুর্বার গতি নিয়ে আসা হয়েছে মামলার তদন্তে। আর এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর কয়লা পাচার কাণ্ডে একাধিক ব্যবসায়ী ও পুলিশ কর্তাদের জেরার পর এবার  চার্জশিট জমা দেওয়ার চূড়ান্ত পথে দ্রুত এগোচ্ছেন তারা।

আরও পড়ুনঃ শারীরিক পরীক্ষার জন্য এসএসকেএমে সুব্রত, আনা হবে আরেক মন্ত্রী ফিরহাদকেও।

প্রসঙ্গত কানাঘুষো আগেই শোনা যাচ্ছিল কয়লা কাণ্ডে মে জুন মাসেই চার্জশিট জমা দিতে পারে সিবিআই। নারদা মামলায় যেভাবে দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বিশেসজ্ঞ মহল মনে করছে কয়লা পাচারকাণ্ডে চার্জশিট জমা এখন সময়ের অপেক্ষা। সিবিআইয়ের একটি সূত্রে খবর, পুরুলিয়ার ব্যবসায়ী অনুপ মাঝি ওরফে লালা, যুব তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্র-সহ অন্তত এক ডজন নাম থাকতে পারে প্রথম চার্জশিটে। এমনিতে এই ধরনের বড় কেলেঙ্কারির তদন্তে একটি চার্জশিটই শেষ কথা নয়। প্রাথমিক ভাবে একটি চার্জশিট পেশ করার পর ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ও নতুন তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত এগোয়। ফলে প্রাথমিক চার্জশিট পেশ করার পর একাধিক সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিট পেশ করে তদন্তকারী সংস্থা। এক্ষেত্রেও তেমন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সিবিআইয়ের দায়ের করা প্রথম এফআইআরে বলাই হয়েছিল যে লালাই ছিল বেআইনি পাচার চক্রের মূল পাণ্ডা। তাকে মদত করত সরকারি কিছু আমলা ও প্রভাবশালীরা। ওই এফআইআর দায়ের করার পরই প্রভাবশালীদের খোঁজ শুরু হয়। প্রথমে বিনয় মিশ্রর বাড়িতে তল্লাশি চলে। তার পর রাজ্য জুড়ে বেশ কিছু ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীয় নিকট লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা।

সিবিআই সূত্রের মতে, বিনয়ের ভাই বিকাশ মিশ্র, ধৃত বাঁকুড়া থানার আইসি অশোক মিশ্র, ফেরার হয়ে থাকা লালার হিসেব রক্ষক নীরজ সিং, ব্যবসায়ী গণেশ বাগাড়িয়া, আসানসোলের বাসিন্দা লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বামাপদ দে এবং ব্যবসায়ী রণধীর বার্নওয়ালের নাম থাকতে পারে চার্জশিটে। এর মধ্যে যুব তৃণমূলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক বিনয় মিশ্র ও গণেশ বাগাড়িয়ার নাগাল এখনও পায়নি সিবিআই। তবে গ্রেফতার হয়েছে বিকাশ মিশ্র ও বাঁকুড়া থানার ওসি অশোক মিশ্রকে। সিবিআই আদালতে আগেই জানিয়েছে  এই অশোক মিশ্র ১০৯ দিনে ১৬৮ কোটি টাকা তুলেছিলেন।

ঝোড়ো ব্যাটিং সিবিআই-এর, নারদার পর কয়লাকাণ্ডের চার্জশিট জমা এই মাসেই। তদন্তকারীরা বরাবরই আদালতে বলেছেন, অসাধু ব্যবসায়ী, পুলিশ, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিক এবং রাজনৈতিক নেতাদের যোগসাজস না থাকলে এত বড় পাচার চক্র চালানো সম্ভব নয়। এখন দেখার নারদা মামলার পর কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ড কোনদিকে মোড় নেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here