নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুদীপ্ত সেনের চিঠির সিবিআই তদন্তের নির্দেশ আদালতের। নির্দেশ দিলেন ব্যাঙ্কশাল আদালতের বিচারক দীপাঞ্জন সেন। গত ১৯ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকে সুদীপ্ত সেন কলকাতার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি ১৮ পাতার চিঠি জমা দিয়েছিলেন। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন CBI-কে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আরও পড়ুনঃ জমজমাট নবান্ন দখলের লড়াই, বদলি করা হল ১২০ ‘বিতর্কিত’ অফিসারকে!


উল্লেখ্য, সারদা চিটফান্ড কর্তা, সুদীপ্ত সেনের প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লেখা হয়েছিল। চিঠিতে সারদা কর্তা লিখেছেন, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী তাঁর কাছ থেকে ৬ কোটি টাকা নিয়েছেন। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু তাঁর কাছ থেকে ২ কোটি টাকা নিয়েছেন, সিপিআইএম নেতা তথা যাদবপুরের বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী নিয়েছেন ৯ কোটি টাকা!
বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার প্রথম জনমত সমীক্ষা। দেখুন ২৯৪টি আসনের বর্তমান পরিস্থিতি। #Exclusive
সুদীপ্ত সেন চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, বর্তমান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তিনি দিয়েছেন ৬ কোটি টাকা। চিঠিতে মুকুল রায়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সুদীপ্ত জানিয়েছেন, মুকুল কে ঠিক কত টাকা দিয়েছেন তাঁর হিসেব নেই। তবে মুকুল নিয়েছেন সবার থেকে বেশি। সুদীপ্ত সেনের সই করা ১ ডিসেম্বরের চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, “সমাজের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি আমার কাছ থেকে প্রচুর আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশকে অনুরোধ করেছি।”


সুদীপ্ত সেনের চিঠির সিবিআই তদন্তের নির্দেশ, বিড়ম্বনার মুখে একাধিক হেভিওয়েট। সুদীপ্ত সেন আক্ষেপ ব্যাক্ত করে এক যায়গায় লিখেছেন, “যাঁরা আমার কাছ থেকে প্রচুর টাকা নিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করেছেন, তাঁরাই এখন বিজেপি-তে গিয়ে যোগ দিচ্ছেন দেখে কষ্ট হয়।” প্রসঙ্গত, সারদা কর্তার চিঠি প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মুখ্যমন্ত্রীদের উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছিল।
সেই চিঠি প্রকাশ্যে এনে তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন কুণাল। সেই প্রেক্ষিতেই আজ তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে কুণালের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী সুদীপ্ত সেনের ওই চিঠি পেশ করেন। চিঠি সিবিআই-এর হাতে তুলে দেন বিচারক দীপাঞ্জন সেন।







