নজরবন্দি ব্যুরো: ১০০ দিনের কাজে বঞ্চনা এবং আবাস যোজনা ইস্যুতে বিগত তিনদিন ধরে রাজভবনের নর্থ গেটের সামনে ধরনায় বসেছে তৃণমূল। সেই ধরনা মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সহ রাজ্যের তাবড়-তাবড় বিধায়ক নেতা মন্ত্রীরা। আর তৃণমূলের এই ধরনা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজভবনের সঙ্গে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে রাজ্যের। আর অন্যদিকে, তৃণমূলের এই ধর্নামঞ্চ নিয়ে হাইকোর্টে পৌঁছে গিয়েছে বিজেপি।
আরও পড়ুন: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার CBI-র নজরে বিজেপি বিধায়ক, চলছে জোর তল্লাশি


কিন্তু হাইকোর্টে পৌঁছেও লাভ হল না গেরুয়া শিবিরের। সোমবার হাইকোর্ট খুলতেই কলকাতা উচ্চ আদালতে এ বিষয়ে মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তার কিছুক্ষণের মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএসসি শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ বিজেপির সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। অর্থাৎ কলকাতা হাইকোর্টে ফের ধাক্কা খেল বিজেপি।

অন্যদিকে, ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে রাজভবনের সামনে মঞ্চ গড়ে ধরনা দিচ্ছে তৃণমূল? এই প্রশ্ন তুলেই এবার মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। রাজভবন সূত্রে খবর, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে ধরনা নিয়ে বাংলার রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস মুখ্যসচিবকে যে চিঠি পাঠাতে চলছেন, সেখানে তিনটি ধারার কথা উল্লেখ রাখা হয়েছে। যেমন, ধর্নামঞ্চ সরাতে রাজ্য প্রশাসনের তরফে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে? এখানে কি কোনও আইন ভাঙা হয়েছে? সবকিছুই অবিলম্বে রাজভবনকে জানাতে বলা হয়েছে।



এদিকে, তৃণমূলের এই ধরনা নিয়ে বিজেপির তরফেও একই প্রশ্ন করা হয়েছে। এপ্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান যে, রাজ্যপাল যদি সোমবারের মধ্যে এই ধর্না নিয়ে কোনও ব্যবস্থা না নেন, তাহলে বিজেপিও রাজভবন অভিযান করবেন। যদিওবা জানা যাচ্ছে, আজ অর্থাৎ সোমবার বিকেল ৪টের সময় তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে রাজভবনে সাক্ষাৎ করবেন রাজ্যপাল। তবে এখনও পর্যন্ত রাজ্যপালের কাছে কলকাতায় তৃণমূলের সাক্ষাৎপ্রার্থনা সংক্রান্ত কোনও চিঠি এসে পৌঁছয়নি। রাজ্যপাল আগে যা আবেদন পেয়েছিলেন তার ভিত্তিতে দার্জিলিংয়ের রাজভবনে তিনজন তৃণমূল প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎও করেছিলেন।
হাইকোর্টে ধাক্কা বিজেপির, তৃণমূলের ধর্নামঞ্চ নিয়ে মামলার আবেদন নাকচ









