নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় বিরাট ধাক্কা খেল রাজ্য। এদিন রাজ্যের আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের তরফে দাবি জানানো হয়েছিল, যেহেতু এত বছর পর জনস্বার্থ মামলা করা হয়েছে। তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ তা খারিজ করে দেয়। বলা হয়, ওই মামলা গ্রহণযোগ্য।


এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি মামলাটির গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে হলফনামা দিতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। ১৬ অগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

২০১৪ সালে টেটের ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বিপুল দুর্নীতি ও স্বজন পোষণ করা হয়েছে ৷ এই অভিযোগ করে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ দায়ের করেন বিজেপি নেতা তাপস ঘোষ। এর আগে অবশ্য এই মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছিল রাজ্য। রাজ্যের বক্তব্য ছিল, ২০১৭ সালে নিয়োগ হয়েছিল, অথচ সে সংক্রান্ত মামলা দায়ের করতে পাঁচ বছর সময় লেগে গেল? ২০১৪ সালে এই টেট হয়। ২০১৬ সালে ফল প্রকাশ হয়। ২০১৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ হয় নিয়োগ প্রক্রিয়া।এমন একজন মামলা করলেন যিনি কোনও পরীক্ষার্থী নন, শিক্ষক নন কিংবা কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্তও নন।
শিক্ষক নিয়োগ মামলায় বিরাট ধাক্কা খেল রাজ্য, ফের বাড়ছে অস্বস্তি

যদিও মামলাকারীর যুক্তি ছিল, প্রাথমিক নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। তাই সিবিআই তদন্তের দাবি জানান তিনি। উল্লেখ্য, এর আগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বিরাট প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। আদালতের নির্দেশে একাধিক মামলার তদন্তে নেমেছে সিবিআই। ২৬৯ জন কর্মরত শিক্ষক এক ধাক্কায় চাকরি খুইয়েছেন। এরই মধ্যে মঙ্গলবার আদালতের এই নির্দেশ রাজ্য সরকারকে বিরাট প্রশ্নের সম্মুখীন করিয়েছে।









