সংক্রমণ রুখতে নয়া বিধি। কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সংক্রমণ রুখতে নয়া বিধি। কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। কিছু দিন আগে কলকাতা হাইকোর্টে করা জনস্বার্থ মামলার রায়ে আদালতের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে মৃত ব্যক্তির দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। সৎকারের সময় উপস্থিত থাকতে পারবে মৃতের পরিবার। শেষ দেখার সুযোগ পাবেন কিন্তু দুর থেকে। দেহ ছোয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। সাথে মানতে হবে সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি।

আরও পড়ুনঃ কলকাতায় মেট্রো পরিষেবা পেতে প্রবীণ নাগরিকদের লাগবে না ই-পাস।

সোমবার অর্থাৎ গতকাল আদালতের দেওয়া রায় নিয়ে পুনর্বিবেচনা করলো ডিভিশন বেঞ। পুনর্বিবেচনা করে আদালত নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে। পরিবর্তীত রায়ে বলা হয়েছে, সংক্রমণ ছড়ানো কথা মাথায় রেখে মৃত দেহ পরিবারকে দেওয়া যাবে না। এটি ঝুঁকির বিষয়। সাথে কলকাতা হাইকোর্ট আরও জানিয়েছে প্রয়োজন বুঝে রাজ্য সরকার বা পুরসভা কিংবা পুরনিগম বা জেলা প্রশাসন ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধির বাড়তি নিয়ম চালু করতেই পারে।

সংক্রমণ রুখতে নয়া বিধি। কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। প্রথম অবস্থায় মৃত ব্যক্তিদের দেহ সৎকার নানা জায়গা থেকে বাধা আসছিল। পরবর্তী সময়ে সেই সমস্যা মিটলেও, মৃতের পরিবারের তরফ থেকে রাজ্য সরকারের কাছে একাধিক বার আবেদন জানানো হচ্ছিল প্রিয়জনকে যায়ে শেষবারের মত দেখার অনুমতি দেওয়া হয়। তার পর দেহ সৎকার করা নিয়ে রাজ্য সরকার কিছু ছাড় দেয়। রাজ্য সরকারেত তরফে বলা হয়েছিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুর থেকে শেষ দেখার সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু মৃত দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সময়ে দেহ ফিরে পাওয়ার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করা হয়।

আদালত গত ১৬ তারিখ রায় দেয়, সৎকারের সময় উপস্থিত থাকতে পারবে পরিবার। দূর থেকে শেষ দেখার সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু কোন ভাবেই দেহ ছুতে পারবেনা পরিবার। মৃতদেহের মুখের কাছের জিপব্যাগের চেন খোলা থাকবে। যাতে মৃত ব্যক্তির মুখ দেখতে পায় তার পরিবার। কিন্তু গতকাল এই রায়ের পরিবর্তন করল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, সংক্রমণের ঝুঁকির কথা ভেবে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে দেহ তুলে দেওয়া যাবে না পরিবারের হাতে।

মৃত ব্যক্তির দেহ নেওয়ার সময়ে পরিবারের সর্বাধিক ৬ জন উপস্থিত থাকতে পারবেন। এবং একমাত্র রাজ্য সরকারের বলে দেওয়া স্থানেই সংক্রমিত দেহ দাহ করা যাবে। বাড়িতে বা অন্য কোন জায়গায় দেহ নিয়ে যাওয়া যাবে না। নির্দিষ্ট স্থানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হবে। মানতে হবে সমস্ত সতর্কতা। সাথে অদালতের রায় অনুযায়ী রাজ্য সরকার বা পুরসভা কিংবা পুরনিগম বা জেলা প্রশাসন প্রয়োজন বুঝে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আরোপ করতে পারবে।

-বিজ্ঞাপন- Shamim Ahamed Ads
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত