নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৪২ বছরের ট্রেন্ড বিজেপির!ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বলিদান দিবস স্মরণ করে রক্তদান দিবস পালন করে আসছে গেরুয়া শিবির। এতো বছরে তার অন্যথা হয়নি, তবে এতোবছরের নিয়ম ভেঙ্গেছে এবছর। পরিকল্পনা সত্বেও এবার রক্তদান শিবির করতে পারলো না বঙ্গ বিজেপি। সমগ্র ঘটনায় শাসক দলের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে ধর্নায় বসেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
আরও পড়ুনঃ ‘দুয়ারে আধার নম্বর সংযুক্তিকরণ’! রেশন গ্রাহকদের জন্য নয়া উদ্যোগ রাজ্য খাদ্য দফতরের


সঙ্গে রয়েছেন একাধিক বিজেপি কর্মী। প্রত্যেকের হাতে প্ল্যাকার্ড। কোনটায় লেখা আছেন, ‘যতই করো অপমান, করবই আমরা রক্তদান’ কোথাও অন্য কোন স্লোগান। বিজেপির নেতা কর্মীরা রক্তদান শিবির করতে না পারার ক্ষোভে ধর্ণায় বসেছেন হাজরা পার্কে। গেরুয়া শিবিরের নেতাদের বক্তব্য, এমিতেই করনার কঠিন সময়ে রাজ্যের হাসপাতাল গুলিতে রক্তের সংকট, বিভিন্ন জায়গায় রক্তের আকালের চিত্র ফুটে উঠেছে একাধিক বার। এই পরিস্থিতিতে প্রতিবারের মতোই এবারেও রতক্তদান শিবিরের আয়জোন করেছিল বঙ্গ বিজেপি।
তাঁরা ভেবেছিলেন এই কথিন পরিস্থিতিতে রক্তদান শিবির আরও বেশি তাতপর্যপুর্ণ। তবে গ্রিণ সিগন্যাল আসেনি প্রশাসনের তরফে। সমস্ত পরিকল্পনা করা হলেও রাজ্য সরকার রক্তদান শিবির করার অনুমতি দেয়নি। ফলত সম্ভব হয়নি ব্লাড ডোন্যাশেন ক্যাম্প চালানো।
তবে সমগ্র ঘটনায় বিজেপির নেতারা রাজ্য সরকার তথা তৃণ্মূল কংগ্রেসের সংকীর্ণ মানসিকতা খুঁজে পাচ্ছেন। তাঁদের মতে ইচ্ছাকৃত ভাবে তৃণমূলের নেতাদের ইশারায় অনুমতি দেয়নি প্রশাসনের কর্তারা। এমনিতেই গেরুয়া শিবিরের অন্দরে তৃণমূল কংগ্রেস নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে দিন-দিন। ভোটে হারের পর থেকেই রাজ্যে ভোট-পরবর্তি হিংসাকে হাতিয়ার করে বারবার সরব হয়েছে গেরুয়া শিবিরের নেতা মন্ত্রীরা। দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, সকলের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন, বারবার বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা তুলেও আনছেন ইদানিং। তার মধ্যেই রক্তদান শিবিরের অনুমতি না পেয়ে সাহসক দলের ‘ক্ষুদ্র মানসিকতা’র খতিয়ান দিয়ে ধর্নায় বসেছে বিজেপির নেতা-কর্মীরা।









